- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- নভেম্বর ২৮, ২০২৩
সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে টাইব্রেকারে হেরে যুব বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার কাছে জার্মানি বরাবরই শক্ত গাঁট। ১৯৯০ বিশ্বকাপ ফাইনালে আন্দ্রে ব্রেহমের বিতর্কিত পেনাল্টি গোলে জিতেছিল পশ্চিম জার্মানি। ২০০৬, ২০১০ বিশ্বকাপেও জার্মানির কাছে হেরে নক আউট থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। ২০১৪ বিশ্বকাপে আবার ফাইনালে হার। যুব বিশ্বকাপেও সেই জার্মানির সামনে এসে স্বপ্নভঙ্গ আর্জেন্টিনার। রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনাকে টাইব্রেকারে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ছিল ৩–৩।
কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন ক্লদিও এচেভেরি। ফাইনালে তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। আসলে আর্জেন্টিনার এই স্ট্রাইকারকে কড়া নজরে রেখেছিলেন জার্মানির ফুটবলাররা। এচেভেরির ব্যর্থতা অবশ্য পুষিয়ে দিয়েছিলেন অগাস্টিন রুবের্তো। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। ম্যাচের অন্তিমলগ্নে সমতা ফিরিয়ে দলকে ফাইনালে তুলতে ব্যর্থ হন।
সেমিফাইনাল শুরু থেকেই দারুণ জমে উঠেছিল। একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা চরমে। ম্যাচের ৯ মিনিটে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন প্যারিস ব্রুনার। ৩৬ মিনিটে সমতা ফেরান অগাস্টিন রুবের্তো। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ব্রুনারের গোলেই সমতা ফেরায় জার্মানি। ৬৯ মিনিটে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন ম্যাক্স মোয়েরস্টেড। ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত ৩–২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জার্মানি। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে নাটক জমে ওঠে। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে আর্জেন্টিনার হয়ে সমতা ফেরান রুবের্তো। একইসঙ্গে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন।
ফিফার নিয়মানুযায়ী অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময় ছিল না। সরাসরি টাইব্রেকারে ম্যাচের ভাগ্য নিস্পত্তি হয়। টাইব্রেকারে পাঁচটি শটের মধ্যে চারটিতে গোল করে জার্মানি। আর্জেন্টিনার প্রথম চারটি শটের মধ্যে দুটি আটকে দেন জার্মানির গোলকিপার কনস্টানটাইন হেইডে। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিককারী ক্লদিও এচেভেরিও গোল করতে ব্যর্থ হন। ১৯৮৫ সালের পর আবার অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল জার্মানি।
❤ Support Us







