- স্মৃ | তি | প | ট
- এপ্রিল ৮, ২০২২
তিন প্রধানে খেলা চিবুজোর প্রয়াত, শোকের ছায়া কলকাতা ময়দানে
প্রয়াত হলেন কলকাতা ময়দানে এক সময় দাপিয়ে খেলে যাওয়া চিবুজোর। শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণ সেরে বাড়িতে ফেরার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন চিবু । অচৈতন্য হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি ।বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার নিজের দেশেই প্রয়াত হয়েছেন। রেখে গেলেন স্ত্রী এবং সন্তানকে।১৯৮৬ সালে প্রথম বার কলকাতায় এসে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যোগ দেন চিবুজোর। ১৯৯৩ সালে তিনি যোগ দেন মোহনবাগানে। সেই সময় তাঁর সঙ্গী বার্নাড, ক্রিস্টোফারের মতো ফুটবলাররা। তিনজনকে একসঙ্গে ‘তিনমূর্তি’ বলে ডাকা হত। তবে চিবুজোরের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন চিমা ওকোরি। প্রিয় বন্ধুর এ ভাবে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না চিমা। মোহনবাগানে খেলার পর মহমেডানেও খেলেছেন চিবুজোর। কলকাতার তিন প্রধানের হয়েই দাপটের সঙ্গে খেলেছেন তিনি। দুর্দান্ত স্পট জাম্প দিতে পারতেন। হেডিংও ছিল খুবই ভাল।
এমেকার সঙ্গে দারুণ বন্ধুত্ব ছিল চিবুজোরের। সেই এমেকা শুক্রবার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভারতীয় ফুটবলে খেলা এক তারকা চলে গেল। এখনও কিছু বলার ভাষা নেই। আমরা পরিবারের থেকেও বেশি কিছু ছিলাম। ও আমার ভাইয়ের মতো ছিল। চোখ দিয়ে জল বেরোচ্ছে না, কিন্তু আমি কাঁদছি। অনেক দিন একসঙ্গে কাটিয়েছি।”
এশিয়ান অল-স্টার খ্যাত গোলকিপার অতনু ভট্টাচার্য বলছিলেন, ‘চিবুজোরের সঙ্গে গতকাল পর্যন্তও আমাদের যোগাযোগ ছিল। নাইজেরিয়ান ফুটবলারদের মধ্যে একমাত্র চিবুজোরের সঙ্গেই আমাদের দারুণ বন্ধুত্ব ছিল। ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষ দলের কোচ ওকে নিয়ে ভাবত। বড় ম্যাচে অনেক গোল রয়েছে চিবুজোরের।’
ফুটবল ছাড়ার পরে পাদ্রী হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন কলকাতায় খেলার সুবাদে বাংলা ভাষা শিখে ফেলেছিলেন। মোহনবাগান, মহামেডান স্পোর্টিংয়ের হয়ে যখন খেলতেন তখন তাঁর সতীর্থ ছিলেন ক্রিস্টোফার। ক্রিস্টোফার অনেক আগেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। এবার চলে গেলেন তাঁর বন্ধু চিবুজোরও। ফুটবল প্রেমী বাঙালির হৃদয়ে এখন বিষণ্ণতার আঁধার ।
❤ Support Us








