- বি। দে । শ
- সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
চিনের প্রাচীরে ফাটল ! গভীর গর্তের হদিশ, বেজিংয়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ
যে কোনো কঠিন বিষয়ের সঙ্গে বরাবরই বিশ্বের অন্যতম সেরা ঐতিহ্য চিনের প্রাচীরের সঙ্গে তুলনা করা হয়। আর সে প্রাচীরেই কিনা ফাটল ! হ্যাঁ, চিনের প্রাচীরে ক্ষতি হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাচীরে ১৯ ফুটের একটা গর্ত তৈরি হয়েছে, যা বড়ো হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বেজিংয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, প্রাচীরের কাছে খনি খনন কাজের জন্য এই গর্তটি তৈরি হয়েছে। খনি খনন কার্য বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খনি কোম্পানিকে বড়ো অঙ্কের জরিমানাও করা হয়েছে।
চিনের বিখ্যাত প্রাচীর ১৩৬৮ থেকে ১৬৪৪ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। প্রাচীরটি প্রায় ২১০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং উত্তর চিন জুড়ে বিস্তৃত। এটি ড্রাগনের দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও বিবেচিত হয়। তার থেকেও বড়ো কথা, চিনের প্রতিরক্ষার জন্যও এই প্রাচীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জানা যাচ্ছে, গুওজিয়ায়াও প্রদেশে প্রাচীরের ১৯ ফুটের গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই এলাকায় প্রাচীরের কাছে ২০০৭ সালে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছিল। চুক্তিপ্রাপ্ত সংস্থাটি কয়লা উত্তোলনকালে দেওয়ালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল। ২০১৫ সালে প্রথম একটা গর্ত নজরে আসে। এখন গর্তটি বেড়ে প্রায় ৬ মিটার (১৯ ফুট) হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, খনির বর্জ্য ফেলার জন্য দেওয়ালে এই গর্তটি করা হয়েছিল। সরকার এটাকে অবহেলা বলে মনে করেছে। বিশেষজ্ঞরা যখন সরকারকে বিষয়টি জানান, তখন সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।খনি কোম্পানিকে দেড় লক্ষ ডলার জরিমানা করা হয়েছে। সংস্থার কর্তাদের আটকও করা হইয়েছে।
২০০৬ সালে চিন সরকার প্রাচীর সুরক্ষার জন্য একটা আইন প্রণয়ন করে। সে আইন অনুসারে, প্রাচীরের কোনোরকম ক্ষতিসাধন নিষিদ্ধ। সরকার প্রাচীরটির চারপাশের এলাকায় নির্মাণকাজও নিষিদ্ধ করেছে। এর অর্থ, অনুমতি ছাড়া ওই এলাকাগুলোতে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ করা যাবে না। এছাড়াও, আইনে বলা হয়েছে যে প্রয়োজনে ওই এলাকায় ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নির্মাণ করা যেতে পারে, কিন্তু দেওয়ালটি ভাঙা যাবে না।
❤ Support Us







