- এই মুহূর্তে দে । শ
- ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
এসআইআর-এ বাদ যাওয়া নামের শুনানি শুরু, গ্রাহ্য সিএএ সার্টিফিকেট
তৃণমূল সাংসদের পারিবারের চার সদস্যকে তলব, ক্ষুব্ধ কাকলি ঘোষদস্তিদার
এস আই আর-এর শুনানির আগে বড়় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত মতুয়াদের জন্য বড় খবর নিয়ে এলো। জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিলো এস আই আর-এর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে সিএএ সার্টিফিকেট। তবে সিএএ সার্টিফিকেট তখনই গ্রাহ্য হবে, যখন নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ পূরণ করে আবেদন করবেন যাদের তালিকায় নাম নেই সেই জীবিত ভোটাররা। ইতিমধ্যেই খসড়া তালিকা বেরিয়ে গিয়েছে। মতুয়াদের মধ্যে অনেকেই সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। কমিশনের তরফে থেকে যে নথিগুলি চাওয়া হয়েছে, সেই তালিকায় নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট ছিল না। এই সার্টিফিকেটটা নেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে টানাপড়েন চলছিল। তারই মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিএএ সার্টিফিকেট এস আই আর-এর শুনানিতে গ্রাহ্য হওয়ার ঘোষণাটি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলো।
এদিকে খসড়া ভোটার তালিকাতে নাম নেই দীর্ঘদিনের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের ৪ সদস্যসের। এসআইআর প্রক্রিয়ায় শুনানিতে ডাকা হয়েছে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্রকে। শুনানিতে হাজির থাকার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদের মা ও বোনকে। এই নিয়ে সরব হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, সাংসদদের পরিবারের ওই সদস্যরা শনিবার বিডিও অফিসে যাবেন। আজ শনিবার থেকেই শুরু হচ্ছে এস আই আর-এর শুনানি পর্ব।
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, তিনি এই বুথেই ভোট দিয়ে আসছেন বরাবর, তার ছেলেরাও সুপ্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, তার পরেও এরকম নির্দেশ কেন বা এসআইআরের খসড়া তালিকায় নাম এল না কেন?
কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “খসড়া তালিকা দেখতে গিয়ে দেখা গেল, আমার দুই ছেলের নাম নেই। তাদের হিয়ারিংয়ে ডেকে পাঠিয়েছে কমিশন। তাদের বাবা অর্থাৎ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার একজন প্রাক্তন মন্ত্রী। আমি চারবারের সাংসদ। দুই পুত্র সরকারি চাকুরে। হিয়ারিংয়ে যাবে। কিন্তু, কীভাবে এসআইআর হচ্ছে, তা সহজেই অনুমেয়। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ, যাদের এত যোগাযোগ নেই, হিয়ারিংয়ে কী চাইছে জানে না, তাদের তো হেনস্থা করা হচ্ছে। জবরদস্তি নাম বাদ দিয়ে বিপদে ফেলার চেষ্টা। আমার ৯০ বছরের মা ও বোন অন্য বুথের ভোটার। তাদের নামও নেই খসড়া ভোটার তালিকায়।” একজন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের নাম খসড়া তালিকা থেকে কীভাবে বাদ পড়ল, তা নিয়ে এখনও কমিশনের তরফে কিছু অবশ্য জানানো হয়নি।
❤ Support Us






