- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১১, ২০২৫
বাংলাদেশি তরুণীকে পাচার, অভিযোগে গ্রেফতার ৩। উদ্ধার ৩ মহিলা
বাংলাদেশি তরুণীকে ভারতে পাচার এবং জোর করে পতিতাবৃত্তিতে নামানোর অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করল হায়দরাবাদ পুলিশ। পলাতক আরও ২ জনের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে। অবৈধ পাচার (প্রতিরোধ) আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন, বান্দলাগুড়ার ইসমাইল নগরের গৃহবধূ হাজেরা বেগম (৪১), মেহেদীপত্তনমের মুরাদ নগরের অর্কেস্ট্রা নৃত্যশিল্পী শাহনাজ ফাতিমা (৩২) এবং কাঞ্চন বাগের হাফেজ বাবা নগরের অটোচালক মহম্মদ সমীর (২৩)। পলাতক অভিযুক্তরা হলেন বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা রূপা এবং হায়দরাবাদের বাসিন্দা সারোয়ার।
এবছর ফেব্রুয়ারিতে ওই বাংলাদেশি তরুণীকে ভারত ভ্রমণের লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী রূপা নামে এক মহিলা তাঁকে এদেশে নিয়ে আসে। মেয়ে পরিচয় দিয়ে রাতে নৌকায় করে নদী পেরিয়ে ভারতে পাচার করা হয়। ওই তরুণীকে প্রথমে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় এবং তারপর ট্রেনে করে হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়। হায়দরাবাদে নিয়ে গিয়ে প্রথমে শাহনাজ ফাতিমা নামে এক মহিলার হাতে তরুণীকে তুলে দেওয়া হয়। পরে শাহনাজ তরুণীকে বান্দলাগুড়ার ইসমাইল নগরের গৃহবধূ হাজেরা বেগমের হাতে তুলে দেয়। হাজেরা ওই তরুণীকে জানায়, তাঁকে পতিতাবৃত্তির জন্য আনা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসনের জন্য গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে তরুণীকে যৌন কাজে বাধ্য করা হয়। গত ৬ মাস ধরে বিভিন্ন হোটেল এবং আবাসনে তাঁকে পাঠানো হত।
দশ দিন আগে একটা হোটেলে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ থানার একটা সাইনবোর্ড দেখতে পান ওই তরুণী। অটোয় করে নিয়ে যাচ্ছিলেন আর এক অভিযু্ক্ত মহম্মদ সমীর। সমীর যখন অটো পার্ক করছিল, সেই সময় তরুণী পালিয়ে সোজা বান্দলাগুড়া থানায় ছুটে যান। শুক্রবার তরুণী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। বান্দলাগুড়া থানায় বিএনএস এবং অনৈতিক পাচার (প্রতিরোধ) আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এরপর অভিযান চালিয়ে পুলিশ হাজেরা বেগম, শাহনাজ ফাতিমা, মহম্মদ সমীরকে গ্রেফতার করে। ঢাকার বাসিন্দা রূপা এবং হায়দরাবাদের সারোয়ার পালিয়ে যান। পুলিশ মেহদীপত্তনমের একটা ভাড়া ঘর থেকে আরও ৩ জন মহিলাকে উদ্ধার করে। এদের এই রাজ্য থেকে পাচার করা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া মহিলাদের একটা পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
❤ Support Us







