Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ৩, ২০২৩

ইন্দোরের বেলেশ্বর ঝুলেলাল মহাদেব মন্দিরের বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দিল পুরসভা, তার আগে বিগ্রহগুলিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হল, পরিচালন কমিটির দুই সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হলেও এখনও গ্রেফতার হননি কেউই

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ইন্দোরের বেলেশ্বর ঝুলেলাল মহাদেব মন্দিরের বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দিল পুরসভা, তার আগে বিগ্রহগুলিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হল, পরিচালন কমিটির দুই সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হলেও এখনও গ্রেফতার হননি কেউই

রামনবমী উপলক্ষে ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে সম্প্রতি মন্দির চত্বরের কুয়োর স্ল্যাব ভেঙে পড়ে ৩৬জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে সোমবার ইন্দোর পুরসভা বেলেশ্বর ঝুলেলাল মহাদেব মন্দিরের বেআইনি নির্মাণের অংশ ভেঙে দিল বুলডোজার দিয়ে। তার আগে মন্দিরের বিগ্রহগুলি এলাকার অন্য একটি মন্দিরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রশাসনের আধিকারিকরা ও পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিলেন এদিন ওই মন্দির চত্বরের ওই বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সময়ে। প্রসঙ্গত, রামনবমী উপলক্ষে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময়ে বেলেশ্বর ঝুলেশ্বর মন্দিরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত ওই কুয়ো স্ল্যাব দিয়ে ঢাকা ছিল। তার ওপরই ছিলেন ভক্তদের একাংশ। ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে ওই স্ল্যাবটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ার ফলে এতগুলি মানুষ বেঘোরে প্রাণ হারালেন।

ইন্দোর পুরসভা সূত্রের খবর, বেলেশ্বর ঝুলেলাল মহাদেব মন্দির চত্বরে ১০ হাজার স্কোয়ার ফুট এলাকা মন্দির কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছিল। এদিন পুরসভা কর্তৃপক্ষ মন্দিরের বেআইনি নির্মাণের অংশ ভাঙার কাজ করেছে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তায়। প্যাটেল নগরে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় প্রচুর পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। এছাড়া ওই এলাকায় ব্যারিকেডও করা হয়।

ইন্দোরে ধর্মস্থানে এর আগে কখনও এধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেনি বলেও জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পরে কুয়োতে পড়ে যাওয়া পুণ্যার্থীদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগায় সেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা টিম ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের উদ্ধারকারীরা। কুয়োতে পড়ে যাওয়া ১৬জন ব্যক্তিকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ইতিমধ্যে ওই মর্মান্তিক ঘটনার দায়ে ইন্দোরের ওই মন্দিরের পরিচালন সমিতির দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। এঁদের ভিতর রয়েছেন মন্দির পরিচালন কমিটির সভাপতি সেবারাম গালানি, দ্বিতীয়জন মন্দির পরিচালন কমিটির সম্পাদক মুরলী কুমার সাবনানি। তবে এখনও পর্যন্ত দু’জনের কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।

সূত্রের খবর, মন্দিরে ওই মর্মান্তিক ঘটনার পরে ইন্দোর পুরসভার মেয়র দুই উচ্চপদস্থ পুরকর্মীকে ঘটনার দায়ে বরখাস্ত করেছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান নিহতদের পরিবার এবং জখমদের সরকারি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার পরে রাজ্য সরকার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। দোষীদের সকলের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!