- এই মুহূর্তে ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
- জুন ১২, ২০২৪
বড়পর্দায় এবার কিরণ বেদীর বায়োপিক, সামনে এলো পোস্টার
আগামী বছর বড় পর্দায় ভারতের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার কিরণ বেদীর বায়োপিক মুক্তি পেতে চলেছে । পরিচালক কুশল চাওলার চার বছরের গবেষণার ফল স্বরূপ তৈরি হতে চলেছে ছবিটি। ঘটনাবহুল কর্মজীবন তাঁর। এর আগে একাধিকবার তা নিয়ে ছবি তৈরির প্রস্তাব পেলেও সসম্মানে প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। যদিও পরিচালক কুশল চাওলা কিরণের অনুমতির পূর্বেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন।
তবে শেষমেশ আর তাঁকে না করতে পারেন নি পুদুচেরির বর্তমান লেফটেন্যান্ট গভর্নর কিরণ বেদী। ছবির নাম, ‘বেদী: দ্য নেম ইউ নো, দ্য স্টোরি ইউ ডোন্ট’। সম্প্রতি ছবির পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে । যদিও নামভূমিকায় কে অভিনয় করবেন এখনও সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিরণ যদিও তাঁর পছন্দ-অপছন্দ কোনটাই খোলসা করেননি। তিনি সবটাই ছেড়ে দিয়েছেন পরিচালক-প্রযোজকদের উপর। ২০২৫ সালে ছবিটি মুক্তি পাবে ছবিটি। আগামী বছর বিশ্ব নারী দিবসের ৫০ তম বর্ষপূর্তি । প্রথম ভারতীয় মহিলা আইপিএসের জীবনীচিত্র দর্শকদের সামনে তুলে ধরার পিছনে এটিও একটি বড় কারণ।
The Teaser of biopic BEDI as announced today.
Being made by DREAM SLATE
Director Kushal Chawla @kushaalchawla @dreamslatepics #GauravChawla @nehabist pic.twitter.com/M8AVOPiH7p— Kiran Bedi (@thekiranbedi) June 11, 2024
বলিউডে পুলিশ অফিসাদের নিয়ে ছবি এই প্রথম নয়। শুধু বলিউড নয়, ভারতের বিভিন্ন ভাষাতেও একাধিক অ্যাকশন ধর্মী পুলিশ কাহিনীনির্ভর ছবি তৈরি হয়েছে। তবে কিরণ বেদীর বায়োপিক এই প্রথম। তাঁর কর্মজীবন থেকে শুরু করে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সবটাই ধরা থাকবে ছবিতে। ছবি নিয়ে আশাবাদী পরিচালক কুশল চাওলা। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন, ড্রিম স্লেট পিকচারস।
১৯৬৬ সালে জাতীয় জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন কিরণ পেশোয়ারিয়া বেদী।আইপিএস পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ প্রথম ভারতীয় মহিলা অফিসার দিল্লির চানক্যপুরি এলাকায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। মেয়েরা পুলিশের চাকরি করবে, এ ছিল স্বপ্নের অতীত।সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি , কিরণ বেদী। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পান ‘পুলিশ মেডেল।’ একসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির সঙ্গে মতানৈক্যের জন্য তাঁকে কটাক্ষ করে ‘ক্রেন গান্ধি’ বলা হত। কিন্তু কোনও কিছুই তাঁকে তাঁর দায়িত্ব থেকে টলাতে পারেনি।এক সময়ে তাঁর দাপটে বাস্তবিকই ‘বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত’। ১৯৯৩ সালে দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দর্শনে ডক্টরেট (পিএইচডি ) লাভ করেন। ১৯৯৪ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন কিরণ। ২০০৩ সালে, জাতিসংঘের মহাসচিবের পুলিশ উপদেষ্টা হিসেবে শান্তি অধিদপ্তর বিভাগে নিযুক্ত প্রথম ভারতীয় নারী ছিলেন কিরণ বেদীই। তবে এত সম্মান , এত পুরস্কারের পরও তাঁর জীবনের অনেক লড়াই, উত্থান পতন এখনও জনমানসে অজানা। সেসব অজ্ঞাত কাহিনির ওপর আলোকপাত করতে আসছে ‘বেদী: দ্য নেম ইউ নো, দ্য স্টোরি ইউ ডোন্ট’।
❤ Support Us






