- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ১৩, ২০২৫
যক্ষ্মা নিরাময়ে বিশ্বতালিকায় প্রথম ভারত। জনসচেতনতাতেই এসেছে সাফল্য দাবি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের
যক্ষ্মা সংক্রমণের বিশ্ব তালিকার শীর্ষে ভারত । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্ষয় রোগের হার ভারতে বাড়লেও, গত একদশকে দেশে সংক্রমণের বার কমেছে ২১ শতাংশ । ২১০৫ সালে প্রতি লক্ষে ২৩৭ জন, ভারতে এই রোগে আক্রান্ত হতেন, ২০২৪ এ সেই সংখ্যা কমে দাড়িয়েছে লাখ প্রতি ১৮৭ জনে । রোগ প্রতিরোধে বেড়েছে ভারতে প্রায় দ্বিগুণ হারে ।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বের ৬৭ শতাংশ যক্ষ্মা রোগীর বসাবাস বিশ্বের আটটি দেশে । এরমধ্যে তালিকা শীর্ষে ভারত । ২৫% ক্ষয়রোগীই এই উপমহাদেশের বাসিন্দা । শতাংশের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে ইন্দোনেশিয়া । ৬.৮% রোগী ফিলিপিন্স থেকে, তারপরেই রয়েছে চিন, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, কঙ্গো এবং বাংলাদেশ ।
মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট/রিফাম্পিসিন-রেজিস্ট্যান্ট টিউবারকুলোসিস রোগে আক্রান্তদের তালিকাতেও শীর্ষে ভারত । বিশ্বের ৩২% রোগীই থাকেন এখানে । চিন, ফিলিপিন্স এবং রাশিয়ায় রয়েছে ৭.১% মানুষ । তবে যক্ষ্মা রোগ চিকিৎসা বিষয়ে ভারতের স্থান উজ্জ্বল । ২০২৪ এ বিশ্বতালিকার ৩৪% রোগাীর চিকিৎসা হয়েছে ভারতে । অর্থাৎ দেশে টিবির বিরুদ্ধে বেড়েছে জনসচেতনতা । রোগের চিকিৎসায় মানুষ এখন হাসপাতালমুখী অনেক বেশি ।
অন্যদিকে যক্ষ্মা রোগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে আফ্রিকা এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে । সেখানে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সরাসরি সহায়তা ছাড়াই ভারত, নিজের উদ্দ্যোগে যক্ষ্মার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সংক্ষম হয়েছে । কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০১৫ সালে যেখানে দেশের ৫৩শতাংশ যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা হতো । গত দশবছরে সেই হার বেড়ে হয়েছে ৯২% । আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, রোগ প্রতিরোধে ক্রমাগত সচেতনতা বৃদ্ধিতেই এই সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক । কেন্দ্রের টিবিমুক্ত ভারত প্রচার অভিযানে দেশে যক্ষ্মায় মৃত্যুর হারও কমেছে দ্রুত । সেই নিরিখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে অনেকটাই এগিয়েছে ভারত ।
❤ Support Us






