মালয়েশিয়া মাস্টার্স জয়ের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন পিভি সিন্ধু এবং এইচএস প্রণয়। পৌঁছে গেলেন সেমিফাইনালে। অন্যদিকে, লক্ষ্য সেনের পর এবার কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। সিন্ধু এবং প্রণয়ের হাতেই এখন দেশের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব।
প্রি–কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের ওহোরিকে সহজে হারালেও কোয়ার্টার ফাইনালে অবশ্য শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল সিন্ধুকে। চিনের ওয়াই মান ঝাং–কে হারাতে যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হয়েছিল ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে। প্রথম গেমে একসময় ০–৫ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিলেন সিন্ধু। এরপর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। ব্যবধান ঘুঁচিয়ে ১১–১০ ব্যবধানে এগিয়েও যান। শেষ পর্যন্ত ২১–১৬ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু।
দ্বিতীয় গেমেও শুরু থেকে দাপট দেখিয়ে ১০–৩ ব্যবধানে এগিয়ে যান ঝাং। সিন্ধু আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২১–১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ঝাং। নির্ণায়ক গেমে সিন্ধু শুরুতেই ৫–১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ঝাং দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরে এসে ১২–১২ করে ফেলেন। একসময় সিন্ধু ১৩–১৫ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। আবার এগিয়ে যান। ২০–১৭ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় তিনটি ম্যাচ পয়েন্ট পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি সিন্ধু। ২০–২০ করে ফেলেন ঝাং। যদিও শেষরক্ষা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ঝাংয়ের ভুলের সুযোগ নিয়ে ২২–২০ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে ফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু।
পুরুষদের সিঙ্গলসে জাপানের কেন্তা নিশিমোতোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন এইচএস প্রণয়। খেলার ফল ২৫–২৩, ১৮–২১, ২১–১৩। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গিয়েছেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। তাঁকে হারালেন ইন্দোনেশিয়ার ক্রিশ্চিয়ান আদিনাতা। খেলার ফল ২১–১৬, ১৬–২১, ১১–২১। প্রথম গেম দাপটের সঙ্গেই জিতেছিলেন শ্রীকান্ত। যদিও দ্বিতীয় গেম থেকে আচমকাই ছন্দ হারান শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে ১৫–১৪ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি।