- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১৪, ২০২৩
১৯ তম মুখোমুখি আলোচনায় ভারত-চিনের সামরিক কর্মকর্তারা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সমস্যার সমাধান খুঁজবে কি দুই দেশ ?
সংঘর্ষের তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এখন স্বাভাবিক হয়নি গালওয়ান সীমান্ত এলাকা। ইতিপূর্বে অন্তত ১৮ বার ভারত ও চিনের সেনার শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেছেন। মেটেনি বিবাদ। উত্তেজনার আবহেই সোমবার আবার বৈঠকে বসেছেন দুই দেশের সামরিক নেতারা। কূটনীতিকদের ধারণা, উভয় পক্ষই চাইবে সীমান্তের স্পর্শকাতর জায়গা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে। শুধু তাই নয়, যে সীমানা সংক্রান্ত যেসব বিধি আছে তাও যাতে মানা হয় সে ব্যাপারে জোর দিতে পারে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা ল্যাক-এ এই মুহুর্তে দুপক্ষের ৫০ থেকে ৬০ হাজার সৈন্য রয়েছে। ভারত ও চিন দুই দেশের সেনাই ইতিপূর্বে সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একাধিক অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু বেশ কয়েকটি জায়গায় যেমন ডেপসাং, দৌলত বেগ ওল্ডি, ডেমচকের চারডিং নুল্লাহ জংশন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এ প্রসঙ্গ আজকের বৈঠকে উঠতে পারে বলে প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই আলোচনা এমন সময় হচ্ছে যখন ব্রিক্সের সম্মেলন আসন্ন। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য এখনো কিছু জানায়নি যে শি জিনপিং এর সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন কিনা। তবে, আজকের বৈঠক ব্যর্থ হলে সে সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়াও ঠিক হবে না।
দুই দেশের যখন বৈঠকে মিলিত হচ্ছে সে সময়েই পূর্ব লাদাখে ৬৮,০০০ সেনা পাঠানো হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থার খবর। অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে এই বিপুল সেনা বহরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানে। এছাড়াও থাকছে রাডার সিস্টেম, গোলাবারুদ, বন্দুক এবং সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সঙ্গে আছে সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস এবং সি ১৭ ব্লক মাস্টার বিমান। গালওয়ানে দুই দেশের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর রাফালে এবং মিগ-২৯সহ প্রচুর যুদ্ধ বিমানকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চিনের ওপর নজর দারির জন্য ব্যবহার করেছিল ভারত। দুই দেশ যখন পারস্পরিক বার্তালাপের মধ্যে সমস্যা থেকে বেরোনোর পথ খুঁজতে চাইছে, সেসময়ও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। অবিশ্বাসের এ পরিবেশ কি মুক্তি পাবে বেজিং-নয়াদিল্লি? প্রশ্ন সেখানেই।
❤ Support Us






