- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জানুয়ারি ১৬, ২০২৪
ইজরায়েলের গুপ্তচর! সিরিয়া ও ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কুর্দিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
সিরিয়া এবং ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কুর্দিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। এই হামলায় ৪ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পেশরাউ দিজাই। কুর্দিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে এই হামলার খবর জানিয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের একট বিবৃতি উদ্ধৃত করে সরকারী বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, কুর্দিস্তানের রাজধানী আরবিলে একটা গুপ্তচর সদর দপ্তর গড়ে উঠেছিল। এই গুপ্তচর সদর দপ্তর ইজরায়েলের হয়ে কাজ করত। এখানে ইরানবিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমাবেশ ঘটেছিল। এই গুপ্তচরদের সদর দপ্তর ধ্বংস করার জন্যই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড ক্ষেপনাত্র হামলা চালায়।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সিরিয়াতেও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কমান্ডারদের একত্রিত করার স্থান এবং সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী অভিযানের সাথে সম্পর্কিত এলাকা। ডিসেম্বরে দক্ষিণের শহর কেরমান ও রাস্কে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বেশ কয়েকজন ইরানিকে হত্যা করেছিল। সেই হত্যার বদলা হিসেবে সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করেছে ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার নিন্দা করেছে। হামলাকে ‘বেপরোয়া’ বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইরবিলে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানায়। আমরা ইরানের বেপরোয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরোধিতা করি, যা ইরাকের স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’
গত বছর ডিসেম্বরে রাস্কে একটা পুলিশ স্টেশনে হামলায় কমপক্ষে ১১ ইরানি পুলিশকর্মী নিহত হন। ২০১২ সালে গঠিত জিহাদি গোষ্ঠী জইশ আল–আদল (আর্মি অফ জাস্টিস) যারা ইরানে ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী হিসাবে কালো তালিকাভুক্ত রয়েছে, তারা ওই হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে। এবছর ৩ জানুয়ারি কেরমানে শ্রদ্ধেয় আইআরজিসি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির সমাধির কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৯০ জনকে হত্যা করে আইএস।
❤ Support Us






