- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ৯, ২০২৬
কালবৈশাখীর দাপটে বিপর্যস্ত বাংলা, শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড পশ্চিমবঙ্গ। পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গিয়ে শুরু হয় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, সঙ্গে দমকা হাওয়া। তবে এই দুর্যোগ স্থায়ী হবে না— আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শুক্রবার পর্যন্তই চলবে বৃষ্টির দাপট, এরপর সপ্তাহান্তে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
শনিবার থেকে আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করবে এবং রোদের তেজ বাড়বে। এর ফলে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। একই সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতায় কিছু সময়ের জন্য রোদের দেখা মিললেও খুব দ্রুত আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে নেমে আসে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। এ দিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৯ ডিগ্রি কম, এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪.২ ডিগ্রি কম।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তরবঙ্গেও শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির প্রভাব বজায় থাকবে। শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে কালবৈশাখীর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে এবং দমকা হাওয়া বইতে পারে। তাই আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সঙ্গে বজ্রপাতের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, গাছের নিচে বা খোলা জায়গায় না থাকার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে।
❤ Support Us







