Advertisement
  • দে । শ
  • অক্টোবর ১৮, ২০২৫

রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আমলা-বিধি লঙ্ঘন, বরখাস্ত কর্ণাটকের সরকারি আধিকারিক । সমালোচনায় পদ্ম শিবির

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আমলা-বিধি লঙ্ঘন, বরখাস্ত কর্ণাটকের সরকারি আধিকারিক । সমালোচনায় পদ্ম শিবির

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বরখাস্ত করা হল কর্ণাটকের এক সরকারি আধিকারিককে। বরখাস্ত হওয়া আধিকারিক প্রবীন কুমার কেপি রায়চুর জেলার সিরওয়ার তালুকের পঞ্চায়েত উন্নয়ন দফতরে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার আরএসএসের শতবর্ষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য কর্ণাটক সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত রাজ (আরডিপিআর) বিভাগ তাঁকে বরখাস্ত করে। সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি।

১২ অক্টোবর কর্ণাটকের লিংসুগুরে আরএসএসের পোশাক পরে এবং লাঠি হাতে রুট মার্চে যোগ দিয়েছিলেন প্রবীন কুমার কেপি। তাঁর সেই রুট মার্চে যোগ দেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে সরকার। কয়েকদিন আগেই কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকার জনসাধারণের স্থানে সংগঠনের কার্যকলাপ সীমাবদ্ধ করার নিয়ম নিয়ে এসেছে।
আইএএস অফিসার অরুন্ধতী চন্দ্রশেখরের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে যে, প্রবীন কুমারের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এবং শৃঙ্খলার জন্য প্রয়োজনীয় সিভিল সার্ভিস আচরণের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই কর্তাকে জীবিকা নির্বাহ ভাতাসহ বরখাস্ত করা হল।

আদেশে বলা হয়েছে, ‘‌ওই কর্মকর্তা কর্ণাটক সিভিল সার্ভিসেস (আচরণ) বিধিমালা, ২০২১-এর ৩ নম্বর নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। যা সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, সততা এবং তাদের অফিসের উপযুক্ত আচরণ বজায় রাখার নির্দেশ দেয়।’‌ আদেশে আরও বলা হয়েছে যে, তাঁর কর্মকাণ্ড একজন সরকারি কর্মচারীর কাছ থেকে প্রত্যাশিত মানের সাথেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি কর্ণাটক প্রধান বিজেন্দ্র ইয়েদুরাপ্পা এই স্থগিতাদেশকে সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে দেশপ্রেমের অনুভূতির ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘‌এটা কর্ণাটক কংগ্রেস দলের বিদ্বেষপূর্ণ এবং হিন্দুবিরোধী মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কংগ্রেস সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেছে। আমরা এটাকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার কৌশল জানি। এই স্থগিতাদেশ অবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় এই বিভাজনমূলক রাজনীতির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে সাংবিধানিক উপায়ে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।’‌

কর্ণাটক সরকার সব সংগঠনের জন্য প্রকাশ্য জায়গায় অনুষ্ঠান করার জন্য অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। তারপর থেকেই কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে বিরোধ চলছে। রাজ্যের মন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খাড়গে এই ধরনের স্থানে আরএসএসের কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানানোর পর এই ঘটনা ঘটে। খাড়গেকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আরএসএস ১২ অক্টোবর মন্ত্রীর চিত্তপুর নির্বাচনী এলাকায় একটি পদযাত্রা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!