- দে । শ
- মার্চ ১৬, ২০২৩
বার বার লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি প্রসঙ্গে মহুয়ার নিশানায় ওম। বললেন,অধ্যক্ষের সমালোচনার জন্য জেলে যেতেও রাজি
বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে অনুপস্থিত তৃণমুল, প্রশ্নের মুখে ঘাস্ফুল শিবিরের বিজেপি বিরোধিতা। শুধুমাত্র টুইট বার্তা ও দলীয় অবস্থান বিক্ষোভে সীমিত প্রতিবাদ ?
চতুর্থ দিনেও লোকসভায় দ্বিতীয় পর্বের বাজেট অধবেশন মুলতুবি হয়ে গেল। গত কয়েকদিন ধরে লোকসভায় বিরোধী দলের নেতাদের আদানি ইস্যুতে আলোচনা ও শাসক দলের রাহুল গান্ধীর ক্ষমা প্রার্থনার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সংসদ। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। লোকসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার পর বিজেপি সাংসদদের দাবি ঘিরে ব্যাপক হই হট্টগোল শুরু হয়। পরিস্থিতি সামলাতে স্পীকার ওম বিড়লা দুপুর দুটো পর্যন্ত সভা মুলতুবি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
লোকসভার অধিবেশন বার বার স্থগিত করে দেওয়া প্রসঙ্গে, অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সমালোচনা করেছেন মহুয়া মৈত্র। তৃণমূল সাংসদ তাঁর টুইটে বলেছেন, গত তিনদিন ধরে দেখছি স্পিকার মাইকে শুধু বিজেপির মন্ত্রীদের বক্তব্য রাখতে দিচ্ছেন, আর তারপরেই বিরোধী সদস্যদের বলতে না দিয়ে সংসদ মুলতুবি করে দিচ্ছেন। গণতন্ত্র আক্রমণের মুখে এবং তিনি সেটিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই ট্যুইটের জন্য আমি জেলে যেতেও রাজি আছি।
Last 3 days saw speaker @ombirlakota allow ONLY BJP ministers to speak on mike & then adjourn parliament with not single opposition member being allowed to speak.
Democracy IS under attack. And the speaker leads from the front. And I am willing to go to jail for this tweet.— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) March 15, 2023
মহুয়ার মন্তব্যের পর তৃণমূলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। গত কাল আদানিদের বিরুদ্ধে শেল কেলেঙ্কারি ও শেয়ার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবিতে ইডির দফতরের উদ্দেশে মিছিল করে বিরোধী দলের সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। যোগ দেননি ঘাস ফুল শিবিরের নেতারা। আজও রাজ্যসভায় বিরোধী সব দলের মিটিং চলাকালে অনুপস্থিত ছিলেন তাঁরা। কংগ্রেসের নেতৃত্বে সিপিআই, সিপিএম,ডিএমকে, বিআরএস,আরজেডি সহ ১৪ বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা রাজ্যসভার সাংসদ খাড়্গের কক্ষে সভা করেছেন। স্থির হয়েছে, গান্ধিমূর্তির পাদদেশে তাঁরা মানববন্ধন তৈরি করে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাবেন। দেশের গণতন্ত্র বাঁচাতে তাঁদের এই প্রতিবাদ। এখানেও গরহাজির মমতার দল। নিজেরা একা সংসদ ভবনের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রচারমাধ্যমে টুইট করছেন। কেন্দ্রের শাসক দলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে্র ব্যাপারে তাঁদের সদিচ্ছা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে শাসন ক্ষমতায় থেকে তৃণমূলের বিজেপি বিরোধী লড়াই কেন্দ্রের শাসক দলকে কতটা বেকায়দায় ফেলবে তা কার্যত অনিশ্চিত।
❤ Support Us






