- এই মুহূর্তে স | হ | জ | পা | ঠ
- মে ২০, ২০২৪
৯৩ দিন আটলান্টিক মহাসাগরের নীচে! ১০ বছর বয়স কমে গেছে ডিতুরির
আটলান্টিক মহাসাগরের নীচে ৯৩ দিন কাটানো! হ্যাঁ, এইরকম অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা জোসেফ ডিতুরি। জলের নীচে ৯৩ দিন কাটিয়ে শুধু বিশ্বরেকর্ডই করেননি, তাঁর বয়স যেন ১০ বছর পেছনে চলে গিয়েছিল। শারীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া ফিরে গিয়েছিল ১০ বছর পূর্বের মতো। যদিও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্যই মহাসাগরের নীচে কাটিয়েছিলেন ডিতুরি।
জলের নীচে চাপযুক্ত পরিবেশে বসবাসকারী মানুষের শরীরের প্রভাব কেমন হতে পারে, জানতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরে ১০০ বর্গফুট কক্ষের মধ্যে কাটান ডিতুরি। ৯৩ দিন পরে, যখন ‘কমপ্যাক্ট পোড’ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন তাঁর বয়স যেন ১০ বছর কমে গিয়েছিল। ডিতুরির শরীরের পরিবর্তন দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।
ডিতুরির শারীরিক পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর দেখা যায়, তাঁর টেলোমেরেস, ক্রোমোজোমের ডিএনএ ক্যাপ যা সাধারণত বয়সের সাথে সঙ্কুচিত হয়, তিন মাস আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি হয়ে গেছে। তা ছাড়া, তার স্টেম সেলের সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছিল। কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭২ পয়েন্ট কমে গেছে এবং তাঁর প্রদাহজনক মার্কারগুলি অর্ধেক কেটে গেছে। ডিটুরির সামগ্রিক স্বাস্থ্যেও আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জলের নীচে চাপের কারণে এই পরিবর্তনগুলি ঘটেছে, যা শরীরে অনেক উপকারী প্রভাব ফেলে বলে জানা গেছে।
মানুষের কেন এই ধরনের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন, সেকথা তুলো ধরেছেন ডিতুরি। তিনি বলেন, ‘বাইরের কার্যকলাপ থেকে মানুষের কিছুদিন বিচ্ছিন্ন থাকা প্রয়োজন। এমন জায়গায় দুই সপ্তাহের ছুটিতে পাঠাতে হবে, যেখানে তারা তাদের নিজেদের শিথিল করতে পারে এবং হাইপারবারিক ওষুধের উপকারিতা অনুভব করতে পারেন।’ জলের নীচে থাকার সময় ডিটুরি ব্যায়াম ব্যান্ড ব্যবহার করে সপ্তাহে পাঁচ দিন এক ঘন্টারও বেশি ব্যায়াম করেন।
❤ Support Us






