- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ১৩, ২০২৩
মণিপুরে তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত এক মায়ানমারবাসী। হিংসায় বিদেশি মদত, দৃঢ় হচ্ছে সন্দেহ
তোলাবাজির অভিযোগে মণিপুরে ধৃত তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগনামা পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এন আইএ। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন মায়ানমারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তিন জনই নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে জঙ্গি কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। রাজধানী ইম্ফলে এনআইএ-র বিশেষ আদালতে শুনানি হবে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন জনের ক্ষেত্রে ইউএপিএ-১৯৬৭ এবং মায়ানমার নিবাসীর বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট-১৯৪৬ এ মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রত্যেকের বয়স ৩০ থেকে ৪০-এর মধ্যে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নিজেদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের হয়ে টাকা তোলার কাজে ধৃতরা লিপ্ত ছিল। সাধারণত রাজধানী ও উপত্যকা অঞ্চলেই সীমিত ছিল তাদের কর্মকাণ্ড। মূলত অর্থ আদায়ের জন্য নাগরিকদের রীতিমতো ফোনে কল করে ভয় দেখানো হত। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের অ্যাকাউণ্ট ব্যবহার না করে সহকর্মীদের অ্যাকাউণ্টে জমা করার ব্যবস্থা করতেন তাঁরা। উল্লেখ্য গত বছর ৯ মার্চই এনাদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা করা হয়েছিল। দীর্ঘ এক বছর তদন্তের পর অভিযোগনামা আদালতে দাখিল করলেন তদন্তকারীরা।
মণিপুরে দীর্ঘ দু মাস ধরে দুই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে হিংসা চলছে। অনেক মহল থেকেই অভিযোগ আসছিল এক্ষেত্রে বিদেশী শক্তির কোনো মদত থাকতে পারে। মায়ানমার নিবাসীর ধরা পড়ার পর সেই সন্দেহ আরো দৃঢ়তর হচ্ছে। এখন দেখার বিষয় হল। ইম্ফল অন্যান্য জায়গার সাধারণ বাসিন্দাদের কাছে থেকে যে টাকা আদায় করা হত। তা কোন কোন খাতে কীভাবে খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরো তদন্তের প্রয়োজন। সঠিক পথে যদি অনুসন্ধান চালানো হয় তাহলে এ বিষয়ে ধারণা আরো স্পষ্ট হবে।
❤ Support Us






