- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২, ২০২৫
প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফলাফল, ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মেধাতালিকায় জেলার জয়-জয়কার
মাধ্যমিক-এ বছর মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪২৫ জন। ২০২৫-এ ৮৬.৫৬ রেকর্ড পাশের হার। মেধাতালিকায় প্রথম দশে রয়েছেন ৬৬ জন কৃতী পড়ুয়া, প্রথম আদৃত সরকার। কলকাতা -কে পিছনে ফেলে এবারো জেলাগুলির জয়-জয়কার। পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর। রইল সম্পূর্ণ মেধাতালিকা।
মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল আজ প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এ বছর পরীক্ষায় বসেছিলেন ৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ৮৮ জন পাশ করেছেন। পাশের হার ৮৬.৫৬ শতাংশ। পর্ষদ জানায়, মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে মোট ৬৬ জন পড়ুয়া। প্রথম হয়েছেন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের আদৃত সরকার। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬, যা ৯৯.৪৬ শতাংশ। আদৃত জানিয়েছেন, ‘মেধাতালিকায় থাকার আশা ছিল, কিন্তু প্রথম হব, ভাবিনি। খুব ভালো লাগছে। নিয়মিত ৮-১০ ঘণ্টা পড়াশোনাই এই সাফল্যের চাবিকাঠি। ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চাই।’
দ্বিতীয় স্থানে যুগ্মভাবে রয়েছেন মালদহের অনুভব বিশ্বাস সে রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির-এর ছাত্র এবং বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর হাই স্কুলের ছাত্র সৌম্য পাল । দু’জনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪। অনুভব গোয়েন্দা গল্পের ভক্ত, আর সৌম্যর ভালবাসা গানবাজনা। তাঁরা জানান, সময় ধরে পড়াশোনা না করলেও মনোযোগ দিয়েই নিয়মিত পড়তেন। তাঁদের লক্ষ্য, উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান নিয়ে পড়া, অপর জনের ভবিষ্যতে চিকিৎসক ও গবেষক হওয়া। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বাঁকুড়ার কোতুলপুর সরোজবাসিনী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী ঈশানী চক্রবর্তী । তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। বিজ্ঞান নিয়ে ভবিষ্যতে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ঈশানী পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকতে ভালোবাসে। কৃতী ছাত্রী আরও বলে, ‘আমি আমার স্কুল ও জেলার নাম উজ্জ্বল করতে পেরে খুব খুশি হয়েছি। আমি আসা করেছিলাম ৯৭ শতাংশ পাব। কিন্তু এতটা আশা করিনি।’ মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের নিরোল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মহঃ সেলিম। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। প্রতিবারের মতো এবারও মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় একাধিক স্থানে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়ারা। এবারে প্রথম দশের মধ্যে নাম রয়েছে মিশনের ৩ পড়ুয়ার। এদের মধ্যে যুগ্মভাবে পঞ্চম হয়েছে চৌধুরী মোহাম্মদ আসিফ ও সোম তীর্থ করণ। দুজনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। অষ্টম স্থানে রয়েছে পুষ্পক রত্নম। পুষ্পক বিহারের বাসিন্দা।
মেধাতালিকার মধ্যে একাধিক জেলার ছাত্রছাত্রীরা জায়গা করে নিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, রায়গঞ্জ, বাঁকুড়া, মালদহ, হাওড়া, নদিয়া সহ রাজ্যের নানা প্রান্তের নাম উঠে এসেছে। মেধাতালিকার একাধিক পড়ুয়ার বক্তব্য—বাঁধা ধরা রুটিন নয়, বরং নিজের মতো করে নিয়মিত অধ্যয়নই সাফল্যের মূলমন্ত্র। পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, জেলার নিরিখে পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৬.৪৬%)। তার পরে রয়েছে কালিম্পং, কলকাতা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর। এ বার ফলপ্রকাশে দেখা গেল, ছাত্রীর সংখ্যা (৫ লক্ষ ৯২৪) ছাত্রদের (৪ লক্ষ ১২ হাজার ৯৫৯) তুলনায় বেশি। বিভিন্ন বিদ্যালয় এবং অভিভাবক মহল এই ফলাফলের প্রশংসা করেছেন। শিক্ষাবিদদের মতে, সাফল্যের হার এবং গড় নম্বর, দুই-ই সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ইঙ্গিত দেয়।
স্কুল পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্কুলগুলিকে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিভিন্ন ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কশিট এবং শংসাপত্র বিতরণ করা শুরু হবে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, মাধ্যমিক উত্তীর্ণদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যারা উত্তীর্ণ হতে পারলেন না, তাঁদের বললেন, ‘হতাশ হবে না। চেষ্টা করো। আগামীদিনে সাফল্য আসবেই।’
এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন! আগামীদিনে তোমরা আরো সফল হবে – এই প্রত্যাশা আমি রাখি।
তোমাদের জীবনের এই স্মরণীয় দিনে, আমি তোমাদের বাবা-মা, অভিভাবক-অভিভাবিকা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। তাঁদের সমর্থন ও…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 2, 2025
মাধ্যমিক-২০২৫-এর সম্পূর্ণ মেধাতালিকা:
প্রথম স্থান:
উত্তর দিনাজপুরের আদৃত সরকার। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬, শতাংশের নিরিখে ৯৯.৪৬ শতাংশ। রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়।
দ্বিতীয় স্থান:
১) অনুভব বিশ্বাস। রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির, মালদহ। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
২) সৌম্য পাল। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর হাইস্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
তৃতীয় স্থান:
১) ঈশানী চক্রবর্তী। বাঁকুড়ার কোতুলপুর সরোজ বাসিনী বালিকা বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩।
চতুর্থ স্থান:
১) মহঃ সেলিম। নিরোল উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্ব বর্ধমান। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২।
২) সুপ্রতীক মান্না। কন্টাই মডেল ইনস্টিটিউট। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২।
পঞ্চম স্থান:
১) সিঞ্চন নন্দী। গৌরহাটি হরদাস ইনস্টিটিউট, হুগলি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
২) চৌধুরী মহঃ আসিফ। কামারপুকুর আর কে মিশন মাল্টিপারপাস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
৩) দীপ্তজিৎ ঘোষ। ইটাচুনা শ্রী নারায়ণ ইনস্টিটিউশন, হুগলি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
৪) সোমতীর্থ করণ। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
ষষ্ঠ স্থান:
১) অউন্চ দে। ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
২) জ্যোতিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
৩) রুদ্রনীল মাসন্ত। গোরাসোলে মুরলীধর হাই স্কুল, বাঁকুড়া। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
৪) অঙ্কন মণ্ডল। টাকি রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
৫) অভ্রদীপ মণ্ডল। সারদা বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
সপ্তম স্থান:
১) দেবার্ঘ্য দাস। ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
২) অঙ্কন বসাক। গঙ্গারামপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
৩) অরিত্রা দে। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
৪) দেবাদ্রিতা চক্রবর্তী। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
৫) সৌরীন রায়। অমরগড় উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
অষ্টম স্থান:
১) অনির্বাণ দেবনাথ। তুফানগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
২) সত্যম সাহা। রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৩) আসিফ মেহবুব। জয়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৪) মোঃ ইনজামাম উল হক। টার্গেট পয়েন্ট (আর) স্কুল উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৫) সৃজন প্রামাণিক রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৬) অরিত্র সাহা। রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৭) শুভ্রা সিংহ মহাপাত্র। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৮) অরিজিৎ মণ্ডল। রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
৯) স্পন্দন মৌলিক। রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১০) শ্রীজয়ী ঘোষ। নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১১) পাপড়ি মণ্ডল। বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১২) সৌপ্তিক মুখোপাধ্যায়। কংসাবতী শিশু বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১৩) উদিতা রায়। বেলদা প্রভাতী বালিকা বিদ্যাপীঠ। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১৪) অরিত্র সাঁতরা। মনসুকা লক্ষ্মীনারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১৫) পুষ্পক রত্নম। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
১৬) অবন্তিকা রায়। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮।
নবম স্থান:
১) দেবাঙ্কন দাস। তুফানগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
২) মৃন্ময় বসাক। কালিয়াগঞ্জ সরলা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৩) অনীক সরকার। বালুরঘাট হাইস্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৪) অরিত্রী মণ্ডল। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৫) দিশা ঘোষ। দুবরাজপুর শ্রীশ্রী সারদেশ্বরী বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।৬) ময়ূখ বসু। কাঁকুরিয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৭) পরমব্রত মণ্ডল। বর্ধমান মিউনিসিপাল উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৮) অয়ান নাগ। কামারপুকুর আর.কে.মিশন মাল্টিপারপাস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
৯) অঙ্কুশ জানা। বেলদা গঙ্গাধর একাডেমি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
১০) দ্যুতিময় মণ্ডল। বিবেকানন্দ মিশন আশ্রম শিক্ষায়তন প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
১১) ঐশিক জানা। কন্টাই মডেল ইনস্টিটিউট। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
১২) প্রোজ্জ্বল দাস। শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
১৩) অনীশ দাস। প্রফুল্ল নগর বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
১৪) তানাজ সুলতানা। জাঙ্গিপাড়া বালিকা বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।
দশম স্থান:
১) কৌস্তভ সরকার। রায়গঞ্জ করনেশন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬।
২) আমিনা বানু। মোজামপুর গার্লস হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৩) উবে সাদাফ। সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৪) প্রিয়ম পাল। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)
৫) তুহিন হালদা। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৬) দেবায়ন ঘোষ। কোটাসুর উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৭) এসকে আরিফ মণ্ডল। গিরিজোর সাঁওতাল উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৮) সম্যক দাস। নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
৯) স্বাগত সরকার। কাশিমনগর বিএনটিপি গার্লস হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১০) অয়ন্তিকা সামন্ত। চিলাডাঙ্গী রবীন্দ্র বিদ্যাবীথি। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১১) সমন্বয় দাস। তমলুক হ্যামিলটন উচ্চ বিদ্যালয় (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১২) বিশ্রুত সামন্ত। ধন্যশ্রী কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১৩) সায়ন বেজ। পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশন। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১৪) সোহম সাঁতরা। মহিষাদল রাজ উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১৫) শৌভিক দিন্দা। সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
১৬) রাহুল রিক্টিয়াজ। মজিলপুর জে.এম. ট্রেনিং স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।
❤ Support Us






