Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ৮, ২০২৩

মোদির আমলে ব্যাঙ্ক থেকে মুছে দেওয়া ঋণের পরিমাণ ১৪,৫৬,২২৬ কোটি টাকা, ব্যাঙ্ক উদ্ধার করতে পেরেছে মাত্র ১৪ শতাংশ টাকা, সংসদে জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মোদির আমলে ব্যাঙ্ক থেকে মুছে দেওয়া ঋণের পরিমাণ ১৪,৫৬,২২৬ কোটি টাকা, ব্যাঙ্ক উদ্ধার করতে পেরেছে মাত্র ১৪ শতাংশ টাকা, সংসদে জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, গত ২০১৪-১৫ থেকে শুরু করে ন’টি অর্থবর্ষে নথিভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি হিসাব থেকে মোট ১৪,৫৬,২২৬ কোটি টাকার অনুৎপাদক সম্পদ বা এনপিএ মুছে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভাগবত কারাড জানিয়েছেন, এই পুরো অঙ্কের মধ্যে বড় শিল্পের ঋণ মোছা হয়েছে ৭,৪০,৯৬৮ কোটি টাকার।

এভাবে অনাদায়ি ঋণ বা এনপিএ মুছে ফেলা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে বিরোধীদের বিতর্ক জারি আছে। বিরোধীদের অভিযোগ, চড়া মূল্যবৃদ্ধি এবং বেকারত্বে কাহিল সাধারণ মানুষ যখন আর্থিক ভাবে কোনও সুরাহা পাচ্ছেন না তখন ব্যাবসায়ীদের সুবিধা করে দিতে কেন্দ্রের এই প্রয়াস কেন? যেখানে দেশের বিপুল সংখ্যক সাধারণ, নিম্নবিত্ত,মধ্যবিত্ত মানুষ বাড়ির ঋণ নিয়ে থাকলে না খেয়েও অনেকে চড়া সুদে তা মাসে মাসে ঋণের টাকা শোধ করে চলেছেন। এমনই সাধারণ মানুষরা বাড়ির ঋণের টাকার বড় অংশ শোধ দেওয়ার পরেও সেই বাড়ি ব্যাঙ্ক কেড়ে নিয়েছে, এমন অসংখ্য নজির দেশে রয়েছে। সংবাদপত্রে এই বাড়ি নিলাম করার বিজ্ঞাপন দেয় বিভিন্ন রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্ক। অথচ এনপিএ মুছে ‘বন্ধু পুঁজিপতিদের’ সাহায্য করে চলেছে কেন্দ্র। একেই কি বলে “সব কা সাথে , সব কা বিকাশ?” প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা । তবে কেন্দ্রীয় সরকারের অবশ্য বক্তব্য, অনাদায়ি ঋণ মোছা মানেই খেলাপিদের ছাড় দেওয়া নয়। সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতার থেকে সেগুলি উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলতে থাকে। তবে সাধারণ মানুষদের যেমন পথে বসিয়ে দেওয়া হয় ঋণখেলাপি হলে সেটা “কেন্দ্রের বন্ধু ব্যাবসায়ী”দের করা হয় কি না সেটা কেউ জানে না।

মঙ্গলবার সংসদে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভাগবত কারাড জানান, ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩-এর মার্চ পর্যন্ত মুছে দেওয়া ঋণের মধ্যে ২,০৪,৬৬৮ কোটি টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে ব্যাঙ্কগুলি। অর্থাৎ, ১৪% ফেরানো গিয়েছে। এই হার নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বিরোধী দলগুলি। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মুছে দেওয়া নিট ঋণ অর্থাৎ মুছে দেওয়া ঋণ এবং তার মধ্যে উদ্ধার হওয়া অংশের ফারাক ছিল ১.১৮ লক্ষ কোটি টাকা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!