- দে । শ
- জুলাই ২০, ২০২৬
বসিরহাট টাউন হলে সভা অধীরের
‘বাংলায় আগামী দিনে কংগ্রেস ও বিজেপি এই ২ রাজনৈতিক শক্তির লড়াই হবে’, বললেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। রবিবার বসিরহাট টাউন হল মাঠে বিশাল জনসভায় একথা বলেন অধীর চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল এখন জরাগ্রস্ত দল। রক্তক্ষরণ হতে হতে এখন রক্তাল্পতায় ভুগছে। বাঁচানোর কেউ নেই।’ অধীর বলেন, ‘চাইনিজ ছাগলের মত তৃণমূলের এমএলএ ,এমপিরা সস্তায় বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের আমলে সব থেকে বেশি হত্যা হয়েছে রাজনৈতিক আদর্শ মানুষ আর জনপ্রতিনিধিদের বিশ্বাস করে না।’
রবিবারের জনসভায় অধীর চৌধুরির হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে ফের কংগ্রেসে ফিরলেন অসিত মজুমদার সহ ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তরের শতাধিক কংগ্রেস নেতা। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রবীন কংগ্রেস নেতা দিলীপ মজুমদার, সিরাজুল ইসলাম, হিরন্ময় দাশ, অমিত মজুমদার প্রমুখ। অধীর চৌধুরির হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে বসিরহাট পুরসভার কাউন্সিলর তথা জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতা অসিত মজুমদার বলেন, আমি ঘরের ছেলে ঘরে ফিরলাম। বসিরহাটে কংগ্রসকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমি লড়াই চালিয়ে যাব। উল্লেখ্য, অসিত মজুমদার কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। রাজ্যে সরকার বদলের পরে আবার কংগ্রেসেই ফিরলেন। এদিন সভায় দলীয় সমর্থকদের ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত অধীর চৌধুরি বলেন, ‘গত ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধ্বংসী রাজনীতির জন্য কংগ্রেস দুর্বল হয়েছে। কংগ্রেস নিজেদের কারণে দুর্বল হয়নি।
তৃণমূলের আক্রমন মোকাবিলা করতে না পেরে দুর্বল হয়েছে কংগ্রেস।’ তিনি বলেন, ‘ কংগ্রেস কখনও সংকীর্ণ রাজনীতি করে না। ২০১১ সালে বাংলা এবং দিল্লির নেতারা সবাই মন খুলে মমতা ব্যানার্জিকে সমর্থন করেছিল। অধীর বলেন, রাজ্যে বিজেপিকে ফুলে ফলে প্রস্ফুটিত করেছে তৃণমূল। কংগ্রেসকে শেষ করে তৃণমূল এরাজ্যে বিজেপিকে জায়গা করে দিয়েছে। ওরা পঞ্চায়েত, পুরসভায় কংগ্রেসকে ভোট করতে দেয়নি। কিন্তু বিজেপির কোন অসুবিধা হয়নি। অধীর বলেন, বাম আমলে কংগ্রেস খাতির পেতনা বটে কিন্তু রাজনীতি করার সুযোগ পেতাম। বিশেষ করে জ্যোতি বসু বিরোধী হিসেবে কংগ্রেসকে চেয়েছেন কারণ কংগ্রেস না থাকলে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান হত। তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তন হয়নি, তা এই ২ মাসে মানুষ টের পেয়েছেন। অধীর দাবি করেন, তৃণমূল গেছে বিজেপি এসেছে। আবার কংগ্রেসের হাত ধরেই রাজ্যে প্রত্যাবর্তন হবে। কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তনের পথ উন্মুক্ত হচ্ছে।
❤ Support Us





