- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ১৪, ২০২৩
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভোট নয়, পঞ্চায়েতে সব বুথে চাই কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রয়োজনে শীর্ষ আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারী দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ
প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে, এবার শীর্ষ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সরকারি কর্মীরা এই দাবি করতে পারে না বলে পাল্টা হুঁশিয়ারি শাসক দল তৃণমূলের।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ জানান, “আদালত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে যে ৭টি জেলা স্পর্শকাতর, এই ৭টি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কিন্তু আমাদের বক্তব্য, রাজ্যের সবকটি বুথে সেনা বাহিনী দিতে হবে কমিশনকে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছি। এটা কমিশন নিশ্চিত না করলে আমরা প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে শীর্ষ আদালতে যাব।”
এর আগেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আদালতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে মামলাও করেছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
এদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের শীর্ষ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “সরকারি কর্মচারী হয়ে, মানুষের করের টাকায় মাইনে নিয়ে এই ভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যাবো না বলতে পারে না সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সিপিএম, অতিবাম সহ যারা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে দিতে চাইছে না, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ তাদের মধ্যে আছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে না গেলে সরকারি কর্মচারীদের চাকরির সার্ভিস বুকে কি পরিণতি হতে পারে সেটা রাজ্য নির্বাচন কমিশন বুঝে নেবে। মানুষের করের টাকায় মাইনে পান সরকারি কর্মচারীরা, সেটা যেন তাঁরা ভুলে না যান।”
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার কেন কথা বলছেন?
এই প্রসঙ্গে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা চন্দন চ্যাটার্জি বলেন, “জয়প্রকাশ মজুমদার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কে? নিজের ধান্ধায় বার বার দল বদল করা একটি লোক ছাড়া উনিন কেউ না। কোন অধিকারে সরকারী কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিছেন জয়প্রকাশ মজুমদার? ওনার ক্ষমতা থাকলে আমাদের সার্ভিস বুক থেকে একদিন কেটে নিয়ে দেখান। জয়প্রকাশ মজুমদার কচুবনে মার খাওয়াটা মনে হয় ভুলে গেছেন। এসব বললে ওনার এবার শরীরের কোন কোন জায়গায় ব্যথা হতে পারে সেটা নিয়ে তিনি ভাবুন। আমরা আমাদের নিরাপত্তা বুঝে নিয়েই ভোটের ডিউটিতে যাবো, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নয়। আমরা যা বোঝার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বুঝে নেব।”
❤ Support Us






