Advertisement
  • দে । শ
  • আগস্ট ১২, ২০২৩

বিজেপির ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদে ভাষণে বিরোধী জোট ও তৃণমূলের সমালোচনায় মুখর মোদি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিজেপির ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদে ভাষণে বিরোধী জোট ও  তৃণমূলের সমালোচনায় মুখর মোদি

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদে ভাষণে দিচ্ছেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একদিকে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে যেমন বিরোধীদের বিঁধলেন তেমন বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে বোর্ড গঠন পর্যন্ত হিংসারও কড়া ভাষায় সমালোচনা করলেন।

নরেন্দ্র মোদি এদিন বলেন, “আমরা সংসদে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবকে পরাজিত করেছি এবং সারা দেশে যারা নেতিবাচকতা ছড়াচ্ছে তাদের যোগ্য জবাব দিয়েছি। বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ মাঝপথে চলে গেছে। সত্য হল তারা অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট দিতে ভয় পেয়েছিল।”

নরেন্দ্র মোদির এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি এখনও অনাস্থা প্রস্তাবে রাহুল গান্ধির কটাক্ষ ও অধীর চৌধুরীর বক্তব্যে নীরব মোদির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আক্রমণ করার বিষয়টি ভুলতে পারেননি। তবে সৌগত রায় অধীর চৌধুরীর সাসপেনশন প্রসঙ্গে বলেছেন,”অধীর চৌধুরী সংসদে মোদিকে যে ভাবে মনিপুর ইস্যুতে সমালোচনা করেছেন সেটা মোদির ইগোতে লেগেছে। মোদির ইগো স্যাটিসফাই করার জন্য অধীরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।”

এদিন রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্স তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল রক্তের খেলা খেলেছে, এসব সারা দেশ দেখেছে। প্রথমেই সময় না দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা করেছে। তার পর মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। যারা মনোনয়ন জমা এর মধ্যেও দিতে পেরেছে তাদের ভয় দেখানো হয়েছে, আক্রমণ করা হয়েছে। ভোট লড়াই করতে প্রার্থীদের বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। শুধু বিজেপি প্রার্থীদের ভয় দেখিয়েই তৃণমূল থেমে থাকেনি, বিজেপি সমর্থকদের ওপরও ভয় দেখিয়েছে। ভোটার নাম প্রহসন হয়েছে। বুথ লুঠ করেছে গুন্ডাদের দিয়ে। ছাপ্পা ভোট দিয়েছে। গণনা কেন্দ্রে বিজেপির এজেন্টদের বসতে না দিয়ে তুলে দিয়েছে। এর পরেও যখন বিজেপি প্রার্থীরা জিতেছে তাদের বিজয় মিছিল করতে দেয়নি। জয়ী প্রার্থীদের বোর্ড গঠনের আগে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। এটাই বাংলার রাজনীতির প্রকৃত চিত্র। আগামী দিনে ইভিএম-এ ভোট হলে আপনাদের ঘোমটা খুলে যাবে।”

তৃণমূলের সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়ার মতো শক্তি রাজ্য বিজেপির ছিল না। অনেক বুথ কমিটি বিজেপি পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৈরী করতে পারেনি। এই নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর বঙ্গ বিজেপি সল্টলেক অফিস পর্যালোচনা বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনে দিলীপ ঘোষ এবং সুকান্ত মজুমদারের তুমুল বাকবিতন্ডা হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির এই করুন অবস্থা সম্ভবত বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব নরেন্দ্র মোদিকে জানায়নি। এমনটাই বলছে তৃণমূল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!