Advertisement
  • এই মুহূর্তে
  • এপ্রিল ১০, ২০২৩

সালকিয়ায় বামফ্রণ্টের শান্তি মিছিলে পুলিশের লাঠি। পরিস্থিতি বেসামাল। রাস্তায় ভূপতিত সেলিম। ঘটনার তীব্র নিন্দা বিমান বসুর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সালকিয়ায় বামফ্রণ্টের শান্তি মিছিলে পুলিশের লাঠি। পরিস্থিতি বেসামাল। রাস্তায় ভূপতিত সেলিম। ঘটনার তীব্র নিন্দা বিমান বসুর

বামফ্রণ্টের ডাকা মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র সালকিয়া। রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার দাবিতে আজ সালকিয়ায় মিছিলের আয়োজন করেন বামপন্থীরা। কিছুদূর এগোতেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পুলিশের নির্দেশ উপেক্ষা করে তাঁরা এগিয়ে যান। শুরু হয়ে যায় বচসা ও হাতাহাতি। বামেদের অভিযোগ, তাঁদের অনেক কর্মী-সমর্থক আহত। প্রশাসনের দাবি, জখম হয়েছেন পুলিশের কয়েকজন জওয়ান।

সোমবার হাওড়ার সালকিয়া থেকে পিলখানা মোড় পর্যন্ত শান্তি মিছিলের ডাক দেয় বামফ্রন্ট । মিছিলের শেষে তাঁদের সভা করার কথা ছিল । মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম সহ একাধিক নেতা। অভিযোগ, মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়।
পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে। তাতে উগ্রমূর্তি ধারণ করেন বামপন্থীরা। শুরু হয় সংঘর্ষ । ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মহম্মদ সেলিম।

সেলিম বলেছেন, রাজ্য সম্প্রীতির পরিবেশ চায় না। আমরা সোজা পথে মিছিল করতে চেয়েছি। প্রশাসন তা করতে দেয়নি। ওরাই অপ্রীতিকর উস্কানি দিচ্ছে।

রামনবমীর মিছিলকে ঘিরে যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল তার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় নামেননি বামপন্থীরা। বুদ্ধিজীবীরাও দেরিতে প্রতিবাদ করেছেন। বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পী ও লেখকদের উভজীবী বলেছিলেন হালের বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁর বিবৃতিকে কেউই আমল দেননি। সিপিএম বিলম্বিত মিছিল করল। সরাসরি বাম নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল পুলিশ। সামম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বামপন্থীদের প্রতিবাদ এই প্রথম নয়,বাবরি ধ্বংসের পর হাজার হাজার কর্মী সমর্থক মিছিল করেছেন, জড়ো হয়েছেন এসপ্ল্যানেড চত্বরে। বাম জমানার অবসানের পর এই প্রথম বৃহৎ আকারের প্রতিবাদ আর ক্ষোভে সোচ্চার হলেন তাঁরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!