- দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
আদালতে হাজিরা রাহুলের
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ‘খুনে অভিযুক্ত’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের হয়েছিল। শুক্রবার, সেই মামলায় উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের এমপি-এমএলএ আদালতে হাজিরা দেন রাহুল। বিচারপতির সামনে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন, ‘‘এটি রাজনৈতিক বিদ্বেষের ফলস্বরূপ মামলা দায়ের করা হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’’ শুনানি শেষে বিচারপতিকে ধন্যবাদও জানান রাহুল।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ রাহুল লখনৌ বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকেরা তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান। অনেকে ‘রাহুল গান্ধি জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। তবে কর্মীরা তাঁকে অতিরিক্ত সমর্থন দেখানোর চেষ্টা করলেও হাসিমুখে আদালতে প্রবেশ করেন রাহুল।
রাহুলের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘বিজেপির অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটি সবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’’
এই মামলার সূত্রপাত আট বছর আগে, যখন কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারের সময় রাহুল গান্ধি বিজেপি ও অমিত শাহকে একযোগে আক্রমণ করে বলেছিলেন, ‘‘বিজেপি সৎ এবং স্বচ্ছ রাজনীতির কথা বলে, কিন্তু এই দলের সভাপতি একজন খুনের মামলায় অভিযুক্ত।’’ সেই সময় অমিত শাহ ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাহুলের এই মন্তব্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
২০১৮ সালের ৪ অগস্ট, বিজেপি নেতা বিজয় মিশ্র রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করেন, অভিযোগ ছিল—রাহুলের মন্তব্য অমিত শাহের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। পরবর্তীতে সুলতানপুরের এমপি-এমএলএ আদালতে মামলা শুরু হয় এবং রাহুলকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তিনি প্রথমে আদালতে হাজির হননি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে রাহুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়, কিন্তু ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং ৫০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন পান।
এদিনের শুনানিতে অভিযোগকারী এবং সাক্ষীদের জেরা শেষ হয়েছে। রাহুলের ব্যক্তিগত জবানবন্দির জন্য তাঁকে আবার আদালতে হাজির হতে বলা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ৯ মার্চ নির্ধারিত হয়েছে।
❤ Support Us






