Advertisement
  • এই মুহূর্তে বৈষয়িক
  • অক্টোবর ৭, ২০২৬

প্রায় চার বছর পর ‘রেপো রেট’ বৃদ্ধির ঘোষণা আরবিআই-এর, উৎসবের মরসুমে বাড়ি-গাড়ির ঋণ আরও দামি ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রায় চার বছর পর ‘রেপো রেট’ বৃদ্ধির ঘোষণা আরবিআই-এর, উৎসবের মরসুমে বাড়ি-গাড়ির ঋণ আরও দামি ?

একদিকে অর্থনীতির বৃদ্ধির পূর্বাভাসে স্বস্তির বার্তা, অন্য দিকে মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য চাপ নিয়ে সতর্কতা। দুইয়ের মাঝে দীর্ঘ বিরতির পরে ফের রেপো রেট বাড়ানোর পথে হাঁটল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক । বুধবার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা ০.২৫ শতাংশ রেপো রেট বাড়িয়ে ৫.২৫% থেকে ৫.৫০% করল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম রেপো রেট বাড়ানো হলো। ফলে পরিবর্তনযোগ্য সুদের হারে নেওয়া গৃহঋণ, গাড়ির ঋণ বা ব্যক্তিগত ঋণের ক্ষেত্রে আগামী দিনে সুদের বোঝা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঋণের মাসিক কিস্তি বা ইএমআই-তেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

তবে শুধু ঋণগ্রহীতাদের জন্যই বুধবারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুদের হার বাড়ার ফলে ব্যাঙ্ক ও অন্যান্য সঞ্চয় প্রকল্পে আমানতের সুদও বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে যাঁরা ব্যাঙ্কের স্থায়ী আমানত বা সুদনির্ভর লগ্নিতে ভরসা করেন, তাঁদের জন্যও পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে। অর্থাৎ, রেপো রেট বৃদ্ধির প্রভাব এক দিকে ঋণের খরচ বাড়াতে পারে, অন্য দিকে সঞ্চয়ের উপর সুদ বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে। তিন দিনের মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। তিনি জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক ও আর্থিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বসম্মত ভাবে রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুদ্রানীতি কমিটি। একই সঙ্গে ‘স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি’ বা ‘এসডিএফ রেট’ ৫.২৫% এবং ‘মার্জিনাল স্ট্যান্ডিং ফ্যাসিলিটি’ বা ‘এমএসএফ’ ও ব্যাঙ্ক রেট ৫.৭৫%-এ সমন্বয় করা হয়েছে।

রেপো রেট হলো সুদের সেই হার, যে হারে আরবিআই বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেয়। ফলে এই হার বাড়লে ব্যাঙ্কগুলির জন্য তহবিল সংগ্রহের খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে নতুন ঋণের সুদে এবং পরিবর্তনযোগ্য সুদের হারে নেওয়া পুরনো ঋণের ক্ষেত্রেও। বিশেষ করে গৃহঋণের মতো দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে সামান্য সুদবৃদ্ধিও দীর্ঘ সময়ে গ্রাহকের মোট সুদ পরিশোধের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি করতে পারে। প্রায় চার বছর পর, এবার কেন সুদের হার বাড়াল আরবিআই? গভর্নরের ব্যাখ্যায় উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা। বিশ্ব জুড়ে মূল্যস্ফীতি ফের বাড়ার আশঙ্কা, ব্যবসায় অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পণ্য পরিবহণে ধাক্কা — সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তার উপর অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে ভারতের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ পড়ে জ্বালানি এবং পরিবহণের খরচে। সে চাপ পরে ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্যান্য পণ্য ও পরিষেবার দামেও। এ পরিস্থিতিতেই মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সঞ্জয়। অর্থাৎ, অর্থনীতির বৃদ্ধির গতি বজায় রাখার পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাব্য চাপকে এখন আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

রেপো রেট বৃদ্ধির পাশাপাশি মুদ্রানীতির অবস্থানেও বদল এসেছে। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম বার আরবিআই তার অবস্থান ‘নিরপেক্ষ’ থেকে সরিয়ে ‘ক্যালিব্রেটেড টাইটেনিং’ বা সুপরিকল্পিত সঙ্কোচনমূলক নীতির দিকে নিয়ে গিয়েছে। নিরপেক্ষ অবস্থানের অর্থ হল, পরিস্থিতি অনুযায়ী সুদের হার বাড়ানো বা কমানোর দরজা খোলা রাখা। কিন্তু সঙ্কোচনমূলক অবস্থান তুলনামূলক ভাবে কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দেয়। অর্থাৎ, মূল্যস্ফীতির চাপ যদি আরও বাড়ে, তা হলে সুদের হার নিয়ে আরবিআই আরও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারে। সে কারণেই বুধবারের সিদ্ধান্তকে শুধু ২৫ বেসিস পয়েন্টের সুদবৃদ্ধি হিসাবে দেখছে না বাজার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আগামী দিনে সুদের হারের গতিপথ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের বার্তা। আপাতত দ্রুত সুদ কমানোর সম্ভাবনা কমেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আবার মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে ফের সুদ বৃদ্ধির দরজাও পুরোপুরি বন্ধ থাকছে না।

তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের-এর মুদ্রানীতির সিদ্ধান্তের মধ্যে একেবারে বিপরীত একটি বার্তাও রয়েছে। সুদের হার বাড়ানোর পাশাপাশি চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭% থেকে বাড়িয়ে ৭.১% করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। অর্থাৎ, মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের শক্তি নিয়ে আরবিআই-এর আস্থা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হিসাব অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে অর্থনীতির গতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদন ব্যয়ের চাপ থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মকাণ্ড স্থিতিশীল। পরিষেবা ক্ষেত্রও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। স্থায়ী বিনিয়োগের ছবিও ইতিবাচক। রফতানিতেও গতি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে ব্যক্তিগত ভোগ এবং বিনিয়োগই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার ৭.২%, তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৬.৯% এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬.৮% হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। অর্থবছর ২০২8-এর প্রথম ত্রৈমাসিকের জন্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১%। গভর্নর মালহোত্রার বক্তব্যেও সে আস্থার প্রতিফলন স্পষ্ট। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতির প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ভারতীয় অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী রয়েছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক শক্তি রয়েছে। আগামী দিনেও এই স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকবে বলে আশা করছে আরবিআই। যদিও, বৃদ্ধির এই ইতিবাচক ছবির পাশে মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস কিছুটা অস্বস্তির। অর্থবছর ২০২৭-এ ভোক্তা মূল্য সূচক বা ‘সিপিআই’ মূল্যস্ফীতি ৫.২% হতে পারে বলে জানিয়েছে আরবিআই। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৪.৯% থেকে তা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে বেড়ে ৬%-এ পৌঁছতে পারে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে কিছুটা কমে ৫.৭% হওয়ার পূর্বাভাস। অর্থবর্ষ-২৮-এর প্রথম ত্রৈমাসিকে মূল্যস্ফীতি ৫.৬% থাকতে পারে।

মূল্যস্ফীতির চাপ ইতিমধ্যেই বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান। জুলাইয়ের ৪.৫% থেকে অগস্টে খুচরো মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.৮% হয়েছে। খাদ্য এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধিই যার অন্যতম কারণ। আরবিআই-এর মতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপও এখন আরও বিস্তৃত হচ্ছে। চিনি, পেঁয়াজের মতো পণ্যে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। মূল্যবান ধাতু বাদ দিয়ে কোর মূল্যস্ফীতি অগস্টে বেড়ে হয়েছে ২.৯%। গোটা অর্থবর্ষে কোর মূল্যস্ফীতি ৪.৪% হতে পারে বলে পূর্বাভাস কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, আগস্টে ‘সিপিআই’-এ প্রায় ৩৭% পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৪%-এর বেশি ছিল। অর্থাৎ, দামের চাপ কেবল কয়েকটি খাদ্যপণ্যে আটকে নেই; ধীরে ধীরে তা অর্থনীতির আরও বিস্তৃত অংশে ছড়িয়ে পড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

আগামী দিনে মূল্যস্ফীতির গতিপথ নির্ধারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার এবং আবহাওয়ার পরিস্থিতি বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে আরবিআই। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বৃষ্টির ঘাটতি হলে কৃষি উৎপাদনে তার প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে এল নিনোর সম্ভাবনা থাকলে রবি শস্যের মরসুমও চাপের মুখে পড়তে পারে। খাদ্য উৎপাদন কমলে স্বাভাবিক ভাবেই খাদ্যপণ্যের দামে তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয় বাড়ে। জ্বালানির দাম সরাসরি পরিবহণ খরচকে প্রভাবিত করে। সেই খরচের প্রভাব পরে ছড়িয়ে পড়তে পারে পণ্য ও পরিষেবার দামে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দাম এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার উপরও এখন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নজর থাকবে।

দেশের অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ শক্তির পাশাপাশি বৈদেশিক ক্ষেত্র নিয়েও কিছুটা স্বস্তির ছবি তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। পরিষেবা রফতানি শক্তিশালী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি কার্যকর হওয়া বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিও পণ্য রফতানিকে সাহায্য করতে পারে বলে আশা আরবিআই-এর। অর্থবর্ষ-২৭-এর প্রথম চার মাসে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা ‘এফডিআই’ বেড়ে হয়েছে ১৩.৮ বিলিয়ন ডলার। এক বছর আগে একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯.৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ‘নিট এফডিআই’ প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। তবে বাণিজ্য ঘাটতির জায়গায় উদ্বেগ রয়েছে। জুলাই-আগস্টে ভারতের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৫৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৫.১ বিলিয়ন ডলার। ইলেকট্রনিক পণ্য এবং অপরিশোধিত তেলের আমদানি বৃদ্ধিই মূলত এই ঘাটতি বাড়িয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যের বৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির চড়া দাম এবং বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা আগামী দিনে ভারতের চলতি খাতের ঘাটতির উপর চাপ তৈরি করতে পারে। তবে পরিষেবা রফতানি, বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্স এবং ভারত-ব্রিটেন বাণিজ্য চুক্তি-সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বৈদেশিক ক্ষেত্রকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে বলে মনে করছে আরবিআই।

এ পরিস্থিতিতেও ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার নিয়ে আপাতত উদ্বেগের কারণ দেখছে না কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। সঞ্জয় মালহোত্রা জানিয়েছেন, দেশের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রেও প্রায় ৯৪.৪% কভার করার মতো মুদ্রার ভাণ্ডার রয়েছে। অর্থাৎ, বুধবারের মুদ্রানীতি ঘোষণায় একই সঙ্গে দু’টি বার্তা দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এক দিকে অর্থনীতির ভিত যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই অর্থবর্ষ-২৭-এর বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১% করা হয়েছে। অন্য দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও অন্যান্য পণ্যের দাম, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক থেকে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের পকেটে। পরিবর্তনযোগ্য সুদের হারে গৃহঋণ বা গাড়ির ঋণ নেওয়া থাকলে ব্যাঙ্কগুলি সুদের হার বাড়ালে ‘ইএমআই’ বাড়তে পারে। নতুন ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও খরচ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিপরীতে, সুদের হার বাড়লে ব্যাঙ্কের আমানতকারীরা ভবিষ্যতে বেশি সুদের সুবিধা পেতে পারেন। ফলে উৎসবের মরসুমে গাড়ি-বাড়ির ঋণের পরিকল্পনা করা গ্রাহকদের কাছে আরবিআই-এর সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ, আবার সঞ্চয়কারীদের কাছেও তা কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।সব মিলিয়ে, মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে বৃদ্ধির গতি বজায় রাখাই এখন আরবিআই-এর সামনে মূল সমীকরণ। অর্থনীতির ভিত শক্তিশালী থাকায় বৃদ্ধির পূর্বাভাসে আশার ছবি রয়েছে। কিন্তু বিশ্ব পরিস্থিতি, তেলের দাম, বর্ষা এবং খাদ্যপণ্যের বাজার — এ কয়েকটি বিষয় আগামী মাসগুলিতে সেই আশাবাদ কতটা অটুট থাকে, তার কঠিন পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!