- পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
- অক্টোবর ১৯, ২০২৫
জাগরণে অতন্দ্র, উচ্চারণে বিপ্লবী
জল-জঙ্গল-জমিনের অধিকারে, পরিবেশ রক্ষায় তাই দ্বিধাহীন দেহে ঝাঁপিয়ে পড়েন জুবিন। মাঠে-ময়দানে অনায়াসে তাঁর যাতায়াত, গাছের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন, পশু-পাখির সঙ্গে অপত্য স্নেহবোধ, আর উন্নয়নের নামে প্রকৃতির ধ্বংসের বিরুদ্ধে দুর্দম, দুর্বিনীত সবাক বিদ্রোহী
আলোকচিত্র সৌজন্য: দীপ রঞ্জন
‘চে তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়’— সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের আগ্নেয়সম নাম চে গেভেরা-র মৃত্যু নিয়ে ধ্বনিমর্মর শব্দে সুনীল লিখেছিলেন এ কথা। একটি মৃত্যু, স্বাধীন কিউবার মন্ত্রিত্ব ছেড়ে, ফিদেলের বুকখোলা দোস্তি ছেড়ে বলিভিয়ার পথে সশস্ত্র বিপ্লবের স্বপ্নে মুখর আর্নেস্ত ধরা পড়লেন আমেরিকার গুপ্তচর আর সেনার হাতে। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হলো। মৃত্যুর আগে চে বলেছিলেন, ‘You can kill a man, but not his ideas’ অর্থাৎ ‘তোমরা একজন মানুষকে হত্যা করতে পারো, কিন্তু তার চিন্তাধারাকে হত্যা করতে পারবে না’। মনে পড়ে যাচ্ছে ‘ভি ফর ভ্যানডেটা’ সিনেমার সেই অমোঘ উচ্চারণ, ‘Ideas are bulletproof’-এর কথা। এরপর চে পুঁজিবাদের কবলে পরে ‘বিশ্ববিপ্লব’-এর সবচেয়ে বেশি বিক্রি করা আইডল হয়ে উঠছেন। বাদ পড়ে গেল তাঁর চিন্তাধারা, সাম্যের উচ্চারণ। কেন এত পুরনো কথা প্রলাপের মতো বলছি ? বলতে তো এসেছি জুবিনের কথা, কিন্তু তাঁর কথা বলতে গেলে তো চে-ফিদেল-লেনিনের কথা যে বলতেই হবে। তারকার সীমাবদ্ধতা, আশঙ্কা ছাপিয়ে হাজার হাজার উদ্বেলিত দর্শকের সামনে যে বলতে পারেন, ‘সমাজতন্ত্র’-র কথা, চে-গেভেরার প্রতি তাঁর অনুরক্তির কথা, কাঞ্চনজঙ্ঘার মতো বিশাল আর মুক্তকে এত অল্প পরিসরে ধরি কীভাবে !
জুবিন তাঁর সঙ্গীত ও জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে বহু তরুণকে রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন করেছেন। ঠিক-ভুল, ভালো-মন্দ, অন্যায়-অপরাধের প্রার্থক্য বুঝিয়েছেন। তিনি বারবার বলেন, অসমিয়ত্ব কেবল ভাষা বা ধর্ম নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়। তাই অসম সব ধর্ম, জাতি ও গোষ্ঠীর জন্য সর্বদা উন্মুক্ত
আর পাঁচটা গড়পড়তা গায়ক জুবিন নন, একথা নিশ্চিত। এমনকি কিছুক্ষেত্রে উত্তর-পুর্বের প্রবাদপ্রতিম অগ্রজ শিল্পীদের ছাপিয়ে গিয়েছেন অসম আত্মার প্রতিচ্ছবি। গান ছাপিয়ে তাঁর ভয়হীন বেবাক কণ্ঠ এবং ব্যক্তিত্ব অসমের সংস্কৃতি, পরিচয় এবং রাজনৈতিক চেতনার সাথে মিশে গেল ব্রহ্মপুত্রের মতোই। তাই তাঁর মৃত্যুতে রাজপথ জুড়ে ঢল নামে লাখো লাখো মানুষের। না, তিনি নিজেকে কখনোই রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ঘোষণা করেননি, লাল-নীল-গেরুয়া কোনো দলের সাথেই হৃদতা দেখাননি। গানের বাইরে তাঁর কাজ ও বক্তব্য কেবল ধ্বনিত হতে থাকল জনআন্দোলনের আনাচে কানাচে। সে হোক পাহাড়-জঙ্গল বাঁচাও আন্দোলন কিংবা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলন, সবেতেই জুবিনের সুদৃঢ় দৃশ্যমানতা। বহু ভাষায় ৩৮ হাজার গানের রেকর্ড, মুম্বাইয়ের খ্যাতি, অর্থ, জাঁকজমক ছেড়ে তাই পাহাড়ের কোলেই ফেরে পাহাড়ের সন্তান। অদম্য এক নেশা, মানুষের হয়ে মানুষের সঙ্গে, তাদের অধিকার আর যাপনের লড়াইয়ে থাকার নেশা। ঠিক যেমন কিউবা ছেড়েছিলেন বিপ্লবী চে, তেমনই পুঁজির লালা টপকানো প্রলোভন ছেড়ে লড়াইয়ের ময়দানে চিরজাগ্রত, দুর্নিবার; চে-র ভাবশিষ্য জুবিন, জুবিন গর্গ।
জুবিনের বাবা ছিলেন আমলা, তারই সঙ্গে কবি ও নাট্যকার। ছোটবেলা থেকেই গল্ডি (জুবিনের ডাক নাম) সংগীত, নাটক আর কবিতার অনাবিলতায় মোড়া ছিলেন। কেবল পপ বা আধুনিক গান নয়, অসম সন্তানকে তাঁর শৈশব-কৈশোর লোকসংগীত, ভাওনা, এবং অসমীয়া সংস্কৃতির সঙ্গে একসুরে গেঁথে দেয়। তাঁর এই সংস্কৃতি শিকড়ই তাঁকে পরবর্তীকালে অসমীয়া জাতীয়তাবাদের আইকন করে তোলে। ২০১৯ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যখন ‘সিএএ-এনআরসি’ আইন পাস করে, তখন অসমসহ উত্তর-পূর্ব ভারত জুড়ে প্রবল আন্দোলনের ঢেউ ব্রহ্মপুত্র ছাপিয়ে তুফান তোলে। আইনে বলা হয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান ও পার্সি ধর্মাবলম্বীরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবে, তবে মুসলিমরা নয়।অসমিয়ারা বলছিলেন, এ আইন রাজ্যের স্বতন্ত্র সম্মলিত সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ধ্বংস করে দেবে। কেন্দ্রের দ্বিচারী সাম্প্রদায়িক মনোভাবের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে ভাষা আন্দোলনের পবিত্রভূমি। জুবিন ছিলেন সেখানে, আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে। প্রথম সারিতেই, বুক চিতিয়ে। বিক্ষোভে অংশ নেন তিনি, মঞ্চে গান গেয়ে উদ্বুদ্ধ করেন মানুষকে। সেসময়ই ভীষণ রাজনৈতিক জুবিন, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মননে গেয়ে ওঠেন, ‘বন্ধু, রাজনীতি করো না’। গানটি ক্রমশ অসমের সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে।
গানে বারবার ফিরে আসে ব্রহ্মপুত্র নদীর ধ্বনি, অরণ্যের শান্ত সৌন্দর্য, পাখির ডাকে ঘেরা সকালের ছবি এবং প্রান্তজনের সহজ সরল জীবনের ছায়া। কেবল সৃষ্টিশীলতার সহচার্যের প্রশ্ন নয়, বরং এক গভীর প্রেমের প্রকাশ। প্রকৃতির প্রতি তাঁর মমত্ববোধ। জল-জঙ্গল-জমিনের অধিকারে, পরিবেশ রক্ষায় তাই দ্বিধাহীন দেহে ঝাঁপিয়ে পড়েন জুবিন
পরবর্তীতে জুবিন বলেছেন, তিনি আদ্যপ্যান্ত রাজনৈতিক। কিন্তু যে রাজনীতি মানুষের অধিকার, সম্মান, জীবন কেড়ে নেয় তার তীব্র বিরোধী। অসমের ভূমিপুত্রদের চুপ করে থাকার অধিকার নেই। দূর দ্বীপের নক্ষত্রের মতো আলো ছড়িয়ে জুবিন দৃপ্ত কন্ঠে বলে ওঠেন, ‘আমি কোনো দল করি না, আমি মানুষের পক্ষের কথা, ন্যায় আর অধিকারের কথা বলি।’ দলীয় রাজনীতির বাইরে নিজের এমনই এক সাম্য পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি। আঞ্চলিক দলগুলোকেও কড়া ভাষায় সমালোচনা করতেন। ২০২৩ সালে তিনি ‘অসম জাতীয় পরিষদ’কে ‘অপ্রয়োজনীয় ও হাস্যকর’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। জুবিন তাঁর সঙ্গীত ও জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে বহু তরুণকে রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন করেছেন। ঠিক-ভুল, ভালো-মন্দ, অন্যায়-অপরাধের প্রার্থক্য বুঝিয়েছেন। তিনি বারবার বলেন, অসমিয়ত্ব কেবল ভাষা বা ধর্ম নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়। তাই অসম সব ধর্ম, জাতি ও গোষ্ঠীর জন্য সর্বদা উন্মুক্ত। স্রেফ রাজনীতিবিদদের মতো শুকনো বক্তৃতা নয়, গান, নাটক, এবং পারফর্মেন্সকে আন্দোলনের অংশ করে তুলেছিলেন এই সাংস্কৃতিক বিপ্লবী। ‘সেলিব্রিটি’ শব্দটির এখন শোনা যায় কেবল ‘কনটেন্ট’ শব্দের পাশে। যাঁরা যত বেশি ‘ভিউ’ পান, তত বেশি জনপ্রিয়, আর জনপ্রিয়তা মানেই অবলীলায় প্রভাবশালী হয়ে ওঠা। ভারতে বহু ক্ষয়িষ্ণু ‘সেলিব্রিটি’ সমাজসেবা করেন, কখনো কখনো আংশিক প্রতিবাদও করেন, তবে প্রায়শই সেগুলি সাবধানে পরিকল্পিত, একপেশে, নিরপেক্ষতা বজায় রেখে পেশ করা বিবৃতি। কিন্তু জুবিন গার্গ সে পথে হাঁটেননি, আপস করেননি। গণমাধ্যমের ভয়ে পিছু হটেননি, কর্পোরেট দুনিয়া বা রাজনৈতিক সুবিধার সঙ্গে সংহতি স্থাপন করেননি। আমৃত্যু তিনি প্রমাণ করে গেলেন, একজন তারকা হয়েও, কীভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায়, সমাজে পরিবর্তন আনা যায়। তবে, জুবিনের রাজনৈতিক অবস্থান ও মন্তব্য কিছুক্ষেত্রে বিতর্কও তৈরি করেছে। কখনো কখনো তাঁর বক্তব্য অস্পষ্ট, অনেকেই মনে করেন তাঁর প্রতিবাদ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে বেমানান। তাঁর আবেগপ্রবণতা অনেক সময় আসল বার্তাকে আড়াল করেছে, সম্পূর্ণ প্রকাশিত হতে দেয়নি বলেও মত বহুজনের। কিন্তু এই সবের মাঝেও এক জিনিস ছিল অটুট— মাতৃভূমির প্রতি তাঁর বিশুদ্ধ দায়বদ্ধতা।
প্রকৃতির প্রতি তাঁর মমত্ববোধ। জল-জঙ্গল-জমিনের অধিকারে, পরিবেশ রক্ষায় তাই দ্বিধাহীন দেহে ঝাঁপিয়ে পড়েন জুবিন। মাঠে-ময়দানে অনায়াসে তাঁর যাতায়াত, গাছের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন, পশু-পাখির সঙ্গে অপত্য স্নেহবোধ, আর উন্নয়নের নামে প্রকৃতির ধ্বংসের বিরুদ্ধে দুর্দম, দুর্বিনীত সবাক বিদ্রোহী
কেবল রাজনৈতিক প্রশ্নেই সরবতাই তো নয়, সমাজে গেঁড়ে বসে থাকা বৈষম্যের বিরুদ্ধেও গমগমিয়ে উঠেছে শিল্পীর আওয়াজ। জাতপাত, ধর্মীয় বিভাজন, ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অর্জুনের তীরের মতোই নির্ভুল, সুবভেদী। নিজেকে নির্দ্বিধায় ‘নাস্তিক’ এবং ‘সমাজতান্ত্রিক’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। করোনা মহামারির সময় নিজের বাড়িতে তৈরি করেন কোভিড কেয়ার সেন্টার। কলাগুরু ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছে দেন দুর্গতদের। তাঁর জীবন ও কর্মধারার আরেকটি অনন্য দিক হলো প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশের প্রতি তাঁর সীমাহীন ভালোবাসা। গানে আর কথায়, প্রতিরোধে আর প্রেমে প্রকৃতির সাথে এক গভীর সংলাপের ভাষা। আসামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রাণবৈচিত্র্য এবং গ্রামীণ জীবনের ছন্দ তাঁর মরমে সমাহিত। গানে বারবার ফিরে আসে ব্রহ্মপুত্র নদীর ধ্বনি, অরণ্যের শান্ত সৌন্দর্য, পাখির ডাকে ঘেরা সকালের ছবি এবং প্রান্তজনের সহজ সরল জীবনের ছায়া। কেবল সৃষ্টিশীলতার সহচার্যের প্রশ্ন নয়, বরং এক গভীর প্রেমের প্রকাশ। প্রকৃতির প্রতি তাঁর মমত্ববোধ। জল-জঙ্গল-জমিনের অধিকারে, পরিবেশ রক্ষায় তাই দ্বিধাহীন দেহে ঝাঁপিয়ে পড়েন জুবিন। মাঠে-ময়দানে অনায়াসে তাঁর যাতায়াত, গাছের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন, পশু-পাখির সঙ্গে অপত্য স্নেহবোধ, আর উন্নয়নের নামে প্রকৃতির ধ্বংসের বিরুদ্ধে দুর্দম, দুর্বিনীত সবাক বিদ্রোহী। দিঘলিপুখুরি সংরক্ষণ সংক্রান্ত এক বিতর্কে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘যদি সরকার দিঘলিপুখুরির চারপাশের সব গাছ কেটে ফেলে, তারা কি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে পারবে ?’ তিনি এও বলেছিলেন, ‘এটা বিজেপি বা কংগ্রেসের বিষয় নয়, এটা আমাদের ভালোবাসা রক্ষা করার প্রশ্ন।’ অসমের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাঁর অংশগ্রহণ চোখ টানে। কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন ‘Centre for Wildlife Rehabilitation and Conservation (CWRC)’‑এর সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন। স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পশু উদ্ধার, চিকিৎসা ও অবমুক্তকরণের কাজে অংশ নিতেন। ওই কেন্দ্রকে নিজের প্রতিষ্ঠান বলে মনে করতেন জুবিন।
জুবিন গর্গের মৃত্যুর পর, বৃহত্তর অসম ছাপিয়ে আপামর ভারতবর্ষে তাঁর প্রভাব আরও গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। বকসা জেলা এবং আশপাশের এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে প্রায় দশ হাজার গাছের চারা ডালপালা ছড়িয়েছে। জোরহাটে ‘সবুজ শ্রদ্ধা’ নামের একটি উদ্যোগ ফলদ গাছের চারা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সিডব্লুআরসি‑এর চত্বরে ৫২টি ‘নাহর’ গাছ লাগানো হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে জুবিন বলেছিলেন, ‘আমি গামোছার চেয়ে গাছকে বেশি ভালোবাসি… আমাকে আরো গাছ দিন, গাছ বড়ো হবে।’ তাঁর বিরল ব্যক্তিত্ব, গান, বক্তব্য আর ইহজাগতিক কর্মকাণ্ড নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যতের আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আজকের অসম লড়ছে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে, বাঙালি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে, নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে, জল-জঙ্গল কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে, নদী ভাঙন, বন্যা ও অপরিকল্পিত শহরায়নের বিরুদ্ধে; অসমে যদি আবার বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাতে জুবিন গর্গের চিরভাস্বর নাম, তাঁর কবিতা, গান, স্লোগান বজ্রের মতো উচ্চারিত হবে, হবেই।
❤ Support Us








