- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১৩, ২০২৫
যমুনা নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে অবৈধ খনন, সিইসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেবার নির্দেশ সুপ্রিম আদালতের
কেন্দ্রীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি বা সিইসি-কে হরিয়ানার কালেসর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের কাছে যমুনা নদীর ওপর একটি বাঁধ নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আইনজীবী গৌরব কুমার বনশাল এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, এই বাঁধটির ফলে নদীর প্রবাহ পরিবর্তন করে উত্তরপ্রদেশের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে অবৈধ খনন কার্যক্রম বেড়েছে। আবেদনকারীর মতে, এই বাঁধ নির্মাণ পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট করছে, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বিচারপতি বি আর গাভাই এবং অগাস্টিন জর্জ মাসিহ-এর ডিভিশন বেঞ্চ, ২৯ এপ্রিল মামলার শুনানিতে বলেন, ‘আমরা মনে করি এই বিষয়ে সিইসি-র তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিল করা প্রয়োজন।’ এছাড়া, আবেদনকারীকেও হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ সরকারের আইনজীবীদের কাছে আবেদনপত্রের একটি অনুলিপি সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে মামলার পরবর্তী শুনানি।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সিইসি গঠিত হয়। এর কাজ হলো আদালতের পরিবেশ সংক্রান্ত নির্দেশাবলীর বাস্তবায়ন তদারকি করা, যেমন দখলদারি আটকানো, বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন আর বৃক্ষরোপণ কাজের দেখভাল করা। এর আগে ২০১৯ সালে দিল্লি হাইকোর্টের একটি কমিটি জানিয়েছিল , হরিয়ানার অবৈধ বালি খননকারীরা যমুনা নদীতে বাঁধ নির্মাণ করেছে যাতে তারা নদীর তলদেশে পৌঁছাতে পারে, অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করতে পারে। কমিটি জানিয়েছিল, হরিয়ানা সরকার এই কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য গোপন করেছে এবং পরিবেশগত ক্ষতি সাধনে সহায়তা করছে। সে সময়ে, হরিয়ানা সরকারকে তীব্র ভৎসনা করে আদালত।
পরিবেশ সংরক্ষণে সুপ্রিম কোর্টের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যমুনা নদী এবং কালেসর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হরিয়ানার গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র। এই অঞ্চলের নদী প্রবাহ আর বন্যপ্রাণী জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা পরিবেশ সংরক্ষণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
❤ Support Us






