Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ১৪, ২০২৩

আম্বেদকর জয়ন্তীতে সংবিধানের লাঞ্ছনা রুখতে ঐক্য জোট গড়ার আহ্বান জানালেন সনিয়া

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আম্বেদকর জয়ন্তীতে সংবিধানের লাঞ্ছনা রুখতে ঐক্য জোট গড়ার আহ্বান জানালেন সনিয়া

 আম্বেদকরের ১৩২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘দি টেলিগ্রাফ’-এ কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী একটি নিবন্ধ লিখেছেন। অতিথি কলামে তা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেশের নাগরিকদের কাছে  সোনিয়া অনুরোধ করেছেন, ভারতের সংবিধানকে লাঞ্ছনার হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে নিজের মতো করেই সক্রিয় হতে হবে। দলমত  নির্বিশেষে কঠিন সময়ে প্রত্যেক দেশবাসীর এ ভূমিকা পালন করা উচিত।

 আম্বেদকরের সংগ্রামী জীবনের  তিনটি শিক্ষাকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। প্রথম হল,  মতানৈক্য থাকতেই পারে কিন্তু  বৃহত্তর স্বার্থে  সংঘবদ্ধতা প্রয়োজন।   এ প্রসঙ্গে  মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহেরু, বিআর আম্বেদকর, বল্লভভাই প্যাটেল এবং অন্য নেতাদের মধ্যে বিতর্ক  ও মতপার্থক্যের উল্লেখ করেছেন ।  ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ইতিহাসই এই সাক্ষ্য দেয়।  চিন্তা ও মতের ক্ষেত্রে আলাদা হলেও  সকলেই দেশের কল্যাণকে সর্বাধিক  গুরুত্ব দিয়ে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

আম্বেদকরের সঙ্গে কংগ্রেসের সুসম্পর্কের অতীতের কথা স্মরণ করেছেন সোনিয়া। তিনি লিখেছেন, আম্বেদকর কাজের কৃতিত্ব সতীর্থদেরও দিতেন। আর প্রয়োজন হলে নিজের মত পাল্টাতে কখনও দ্বিধা করেননি।

 আম্বেদকরের দ্বিতীয় শিক্ষা হল সৌহার্দ্য বা ভ্রাতৃত্ববোধ, যা কিনা যে কোনও জাতির ভিত গড়ে তোলে। আম্বেদকরের ভাষণকে উদ্ধৃত করেছেন সোনিয়া। আর লিখছেন, আম্বেদকরে কাছ থেকে তৃতীয় শিক্ষণীয় বস্তুটি হল সামাজিক ন্যায় এবং আর্থিক সাম্যের জন্যে ধারাবাহিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

 প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রীর মতে,  বর্তমানে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার চ্যালেঞ্জ নতুন রকমের। ১৯৯১ সালে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে দেশ সমৃদ্ধ হয়েছে। আর এখন আমরা দেখছি, দেশজুড়ে আর্থিক বৈষম্য। যথেচ্ছভাবে বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে। দলিত, আদিবাসী এবং ওবিসি সংরক্ষণের ক্ষেত্রও সঙ্কুচিত করা হয়েছে।

সোনিয়ার মতে, বাবাসাহেব বিআর আম্বেদকরে জীবন থেকে শিক্ষাগ্রহণের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। কারণ স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায় হুমকির মুখে পড়েছে। আইনের অপব্যবহার করে হেনস্থা করা হচ্ছে । চলছে ব্যাপক স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি। আক্রান্ত সমানাধিকার।  নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক বিষিয়ে দিয়ে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করবার চেষ্টা চলছে।।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!