- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- মার্চ ১৯, ২০২৬
‘২৫ হাজার মার্জিনে জিতব’— ভবানীপুরে প্রচারের প্রথম দিনেই দাবি শুভেন্দুর। পাল্টা কৌশল নির্ধারণে সুব্রত বক্সীর দফতরে জরুরি বৈঠক তৃণমূলের
এবারের বিধানসভার ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ভবানীপুর। বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। আমি কম করে হলেও ২৫ হাজার ভোটে জিতবো। নন্দীগ্রামে আগে হারিয়েছি। এবার নন্দীগ্রামের জয়ের মার্জিন বাড়িয়ে দ্বিতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমাকে ২ জায়গায় দাঁড়াতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবো।’
রীতিমতো ব্যান্ড বাজিয়ে বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে প্রচারে আসেন বিরোধী দলনেতা। ভিড় নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিশ । ভবানীপুরে নেমেই শুভেন্দু বলেন, ‘আমার সঙ্গে এখানকার দোকানদার, হকার, অটো চালক, রিক্সা চালকরা জানান, দিদি ও ভাইয়ের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট। আমাদের বাঁচান। আমি তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেছি, চিন্তা নেই, আমি জিতে এসে আপনাদের পাশে দাঁড়াবো। ভয় পাবেন না।’
এদিকে শুভেন্দু যখন প্রচারে ভবানীপুরে তখন এলাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে লিখন চলছে। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর অফিস , তাঁর নেতৃত্বে স্থানীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে ৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, ফিরহাদ হাকিম উপস্থিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন সারা রাজ্যে প্রচারে ব্যাস্ত থাকবেন তখন তাঁর কেন্দ্র ভবানীপুরে মমতার হয়ে কি ভাবে প্রচার হবে সেট কৌশল ঠিক করতে সুব্রত বক্সীর অফিস বৈঠক।
প্রচার শেষে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন, ‘এই কেন্দ্রের বিজেপি কর্মীদের বেনামে , মোবাইল থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার প্রচারে যদি বাধা দেওয়া হয় তাহলে চন্দ্রকোনা থানায় যে ভাবে অবস্থান করেছিলাম সেভাবে ভবানীপুর থানায় অবস্থানে বসব।’ এদিকে শুভেন্দুর প্রসার সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, ‘শুভেন্দু পরাজয়ের ভয়ে ২ কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।’
❤ Support Us






