Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ২, ২০২৩

কারাভ্যন্তরে খুন গ্যাংস্টার টিল্লু ! তিহার জেলে ভিআইপি বন্দিদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কারাভ্যন্তরে খুন গ্যাংস্টার টিল্লু ! তিহার জেলে ভিআইপি বন্দিদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

তিহার জেলে খুন হলেন গ্যাংস্টার তিল্লু তাজপুরিয়া। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের যোগেশ তুন্ডা আর তার সহযোগীদের বেদম প্রহারে মারা গিয়েছেন আদালতে বন্দুক হামলার মূল অভিযূক্ত। একই জায়গায় গত মাসে আর একটি গ্যাং ওয়্যার সংঘটিত হয়েছিল । সেখানেও  লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সদস্য প্রিন্স তেওটিয়া প্রতিদ্বন্দ্বী দলের লোকেদের দ্বারা নিহত হয়েছিলেন।  পর পর দুই হত্যাকান্ডে জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে যোগেশ তুণ্ডা আর তার দলবল তাদের নির্ধারিত সেলের লোহার গ্রিল ভেঙে বেরিয়ে আসে । কারোর নজরে যাতে না পড়ে, সেকারণে সিঁড়ি দিয়ে না নেমে নিজেদের বিছানার চাদর ব্যবহার করে একতলায় নামার পরিকল্পনা করে। যেখানে ৯ নম্বর সেলে বন্দি ছিলেন টিল্লু তাজপুরিয়া। যেমন ভাবনা তেমন কাজ।  টিল্লুর সেলের  দরজা ভেঙ্গে  আচমকাই ঢুকে পড়ে তুণ্ডা আর  তার দলবল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই লোহার রড দিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করা হয়  তাঁকে। ব্যাপারটি জানাজানি হতেই অন্যান্য কারারক্ষীরা সেখানে চলে আসে। তুন্ডা আর তার লোকেদের আটক করে। কিন্তু মারাত্মক ভাবে আহত টিল্লুকে বাঁচানো আর সম্ভব হয়নি। স্থানীয় দীন্দয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ভয়াবহ এ ঘটনায় সঞ্জয় নামে আর এক বন্দি গুরুতর জখম হয়েছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি আপাতত বিপদসীমার বাইরে।

টিল্লুর গ্যাং-এর সঙ্গে তুণ্ডাদের দীর্ঘদিনের শত্রুতা। ২০২১ সালে রোহিণী আদালত চত্বরে তুণ্ডাদের দলের জিতেন্দ্র যোগীকে গুলি করে টিল্লুর দুই শাগরেদ। ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে মারা যায় তাঁরা।তদন্তে নেমে জানা যায়, টিল্লুর পরিকল্পনাতেই বন্দুকধারীরা এ কাজে লিপ্ত হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয় কুখ্যাত মাফিয়াকে। তখন থেকেই জিতেন্দ্র গ্যাং-এর অন্যান্য সদস্যরা টিল্লু হতার ছক কষছিলেন। পুলিশের ধারণা, জিতেন্দ্র হত্যার প্রতিশোধ নিতেই তার অনুগামীরা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে।

দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেলে বন্দি অন্যান্য ভিআইপিদের সুরক্ষা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।এখানে বলা প্রয়োজন, এখানে  বন্দী রয়েছেন, গোরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, এনামূল হক, দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ অনেকে।তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা নিতে চলেছন তা এখনও স্পষ্ট করে জানান নি। তবে, বিষয়টিকে একেবারেই হালকা ভাবে নিতে তাঁরা নারাজ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!