- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ৩১, ২০২৬
ঘাসফুলের সমর্থনে অলিচিকিতে দেওয়াল লিখন, বাংলার ভোটে গুরত্ব পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাষা
জাহের বুটো বাঞ্চাও / দহঃ লাগিতে জোড়া বাহারে / ভোট ভোট এম তাবন পে। অলচিকি লিপিতে এই দেওয়াল লিখন চোখে পড়ল কালনা ২নং ব্লকের বৈদ্যপুর পঞ্চায়েতের সাবিতপুর গ্রামের ২১নং বুথ এলাকায়। এই দেওয়াল লিখনের বাংলা অর্থ হল, জাহের স্থান রক্ষার স্বার্থে জোড়া ফুলে ভোট দিন। গ্রামটি আদিবাসী অধ্যুষিত। শুধু সাবিতপুরই নয়, এই পঞ্চায়েতের আটকেটিয়া, রামনগর, ওসমানপুর বা সংলগ্ন বাদলা পঞ্চায়েতের গোয়ারা, চা-গ্রাম, ধাপাসপাড়া গ্রামগুলির সিংহভাগ বাসিন্দাই আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত। এই ব্লকের বাসিন্দাদের ২০ শতাংশ আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত।
কথা হচ্ছিল সংশ্লিষ্ট কালনা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সোমবারি মুর্মুর সঙ্গে। তিনি জানালেন, আদিবাসীরা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তাঁদের ধর্মস্থান জাহের স্থান তৈরির জন্য পাট্টা পেয়েছেন। বিনোদনের জন্য ধামসা-মাদল পেয়েছেন। সেইসঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু, খাদ্যসাথী-সহ রাজ্যের নানা জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা ও ভাতা পেয়েছেন। তাই এবারের ভোটে সংশ্লিষ্ট কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগকে জেতাতে মাঠে নেমে পড়েছেন।
সাবিতপুরের যুবক বিমল হাঁসদার কথায়, ‘অলচিকিতে লিখলে আদিবাসীরা আরও অনুপ্রাণিত হবেন। তাই এখানকার তৃণমূল কর্মীরা আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় আমাদের নিজস্ব ভাষায় দেওয়াল লিখেছেন। এখানকার আদিবাসীরা তৃণমূলেরই পক্ষে।’ কেন তৃণমূলের পক্ষে, তার জবাব দিলেন তৃণমূলের রাজ্য আদিবাসী সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডু। দেবুবাবু বললেন, ‘বিজেপি বলেছিল, সরকার কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মস্থান তৈরির জন্য জমি দিতে পারে না। বিজেপির দাবি নস্যাৎ করে জাহের স্থানের জন্য জমি পেয়েছেন এখানকার আদিবাসীরা। তাই আদিবাসীরা তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনও দলকে সমর্থন করে না।’ কালনা ২নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রণব রায়ের দাবি, ‘শুধু আদিবাসীরাই নয়, এসআইআর নিয়ে হয়রানি-হেনস্থার জেরে এলাকার হিন্দু , মুসলিম-সহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপির উপর বেজায় ক্ষুব্ধ। এই ক্ষোভের প্রকাশ হবে ভোটবাক্সে। আমাদের প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ গতবারের থেকে এবার অনেক বেশি মার্জিনে জিতবেন।’
❤ Support Us







