- দে । শ
- জুলাই ৩১, ২০২৫
সন্দেশখালিতে সমবায় সমিতিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় তৃণমূলের
এত কিছুর পরেও সন্দেশখালিতে বিরোধীরা সুবিধে করতে পারছে না। সন্দেশখালিতে হাটগাছি সমবায় সমিতিতে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারল না। ফলে হাটগাছি সমবায় সমিতি তৃণমূলের দখলে থেকে গেল। সন্দেশখালি ২ ব্লকের খুলনা পঞ্চায়েতের হাটগাছি সমবায় সমিতির সবকটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল তৃণমূল। সমতিতে পরিচালন সমিতি তৃণমূলের দখলে ছিল। নির্বাচন দীর্ঘদিন হয়নি। এবারে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হলেও বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি। ফলে ওই সমবায় সমিতির ৯ টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীরা। এদিন জয়ের পর শংসাপত্র হাতে নিয়ে নবনিযুক্ত সদস্য অঞ্জনা রায় মন্ডল বলেন, ‘বিরোধীরা প্রার্থী দিলে ভালো হত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে ঠিক জয়ের আনন্দ উপভোগ করা যাচ্ছে না। ভোট হলে ভালো হত।’ তিনি বলেন, সমবায় সমিতি পরিচালনার জন্য নিয়ম অনুযায়ি আগেই নোটিশ করা হয়। সমিতিতে ৮০০র কিছু বেশি সদস্য রয়েছেন। সব দলের সমর্থক আছেন তার মধ্যে। কিন্তু অন্য কোন দল তাঁদের প্যানেল জমা দিতে পারে নি। ফলে আমরা চাইলেও ভোট হয় নি। সিপিএম নেতা প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সরদার অভিযোগ করেন, ‘ওই সমবায় সমিতির প্রায় ৮০০ সদস্য আছেন। কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তৃণমূলের ক্ষমতাসীনরাই নির্বাচনের দিনক্ষন ঠিক করে। এটা জানাজানি হওয়ার পরে বিডিওর কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করেন সদস্যরা। কিন্তু তা মানা হয়নি।’ এই অভিযোগ মানেন নি নির্বাচিত সদস্যরা কেউ। তাঁদের দাবি, সমবায় সমিতির সদস্যদের জানিয়েই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলেছে। কিন্তু সদস্যেদর মধ্যে বিরোধীরা কেউ তাতে অংশ নেন নি। তাঁদের দাবি সন্দেশখালিতেতে বিজেপি, সিপিএমের পায়ের তলায় আর মাটি নেই। বিরোধী দল বিশেষ করে বিজেপি ও সিপিএম কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সন্দেশখালিকে উত্তপ্ত করে তুলেছিল তাতে ওরা মানুষের আস্থা হারিয়েছে।
❤ Support Us






