Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জানুয়ারি ১৭, ২০২৩

মুম্বাই হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রীকে নিষিদ্ধ জঙ্গির তকমা নিরাপত্তা পরিষদের, সিদ্ধান্তকে স্বাগত ভারতের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মুম্বাই হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রীকে নিষিদ্ধ জঙ্গির তকমা নিরাপত্তা পরিষদের, সিদ্ধান্তকে স্বাগত ভারতের

পাকিস্তানের আরও এক সন্ত্রাসবাদীকে নিষিদ্ধ জঙ্গির তকমা দেওয়া হল। নাম আবদুর রেহমান মাক্কি। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ মঙ্গলবার এই ঘোষণা করল।

আবদুর রেহমান মাক্কি লস্কর-ই তইবা জঙ্গি সংগঠনের ডেপুটি চিফ। আর একটা পরিচয়ও  তাঁর রয়েছে। লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদের ভগ্নীপতি তিনি।  বহু সন্ত্রাসবাদী হামলার মাষ্টারমাইণ্ড । ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশই তাঁকে নিষিদ্ধ জঙ্গির তালিকাভুক্ত করেছে। কিন্তু প্রয়োজন ছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। দীর্ঘদিন ধরেই সেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে সোচ্চার ভারত। ২০২২ সালের জুন মাসে ভারত এবং আমেরিকা- দুই দেশই রাষ্ট্র সংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আইএসআইএল এবং আলকায়েদা নিষিদ্ধ ঘোষণার কমিটিতে আবদুল রহমান মাক্কিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রস্তাব দেয়। তবে, বাধা হয়ে দাঁড়ায় চিন। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ভেটো প্রয়োগ করে চিন। ফলে এই প্রস্তাব পাশ হওয়া আটকে যায়। তবে এবার যখন প্রস্তাব উত্থাপিত হল, চিন কোনো আপত্তি জানায়নি। আন্তর্জাতিক চাপের কাছে চিনের এই নতি স্বীকার কিনা তা নিয়ে অবশ্য সন্দিগ্ধ অনেকেই।

আবদুর রেহমান মাক্কিকে নিষিদ্ধ জঙ্গির তালিকাভুক্ত করার আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে ভারত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলতে আগ্রহী। আজকের এই ঘোষণার ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড দমনে ভারত অনেকটা এগিয়ে থাকবে। তিনি আরও জানান,সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারত আন্তর্জাতিক মহলকেও অনুরোধ জানাবে।

৭৫ বছরের পাক নাগরিক মাক্কি লস্কর-এ-তৈবার রাজনৈতিক বিষয়ের প্রধান। লস্করের অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থাও  করেন তিনি। এছাড়া তরুণদের মৌলবাদী ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত করবার জন্যও  তাঁর সুনাম আছে।  ২০২০ সালে মাক্কিকে দোষী সাব্যস্ত করে পাকিস্তানের সন্ত্রাস বিরোধী আদালত। তবে, বাস্তবে জঙ্গিদমনে পাকিস্তান কতটা আন্তরিক তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকেরই।

তবে এমন এক ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ জঙ্গি ঘোষণা করায় সন্ত্রাসবাদ দমনে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। মাক্কিকে নিষিদ্ধ জঙ্গি ঘোষণা করার ফলে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। অন্য কোনো দেশেও সে সহজে যেতে পারবেন না। এককথায় আবদুর রেহমান মাক্কির গতিবিধি হবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। যা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ প্রশমনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!