- দে । শ
- এপ্রিল ১, ২০২৩
উন্নয়নের পথ তৈরিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম মডেল। বললেন, মার্কিন সহসচিব
জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক মার্কিন সহসচিব জুলিয়েটা ভালস নয়েস বলেছেন— পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, শরণার্থীদের পুনর্বাসন ও উন্নয়নের পথ তৈরি করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ একটি মডেল হয়ে আছে । ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এটি এক বিরল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের ৫৩ তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে, ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা সভায় জুলিয়েটা ভালস নয়েস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম উন্নয়নশীল দেশটির প্রশংসা করতে গিয়ে একথাও বলেছেন, অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় জুড়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের পারস্পরিক সহযোগিতাকে জোরদার করার চেষ্টা করছে। এ চেষ্টায় বিরাম নেই। দুই দেশই অভিবাসীদের সমস্যা দূর করতে দায়বদ্ধ, বাণিজ্যিক সংযোগ ও বিনিয়োগ নিয়ে তাদের সম্পর্ক সুপ্রতিষ্ঠিত। তারা সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ। উদ্বাস্তু ও আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সংকট মোচনে আমেরিকা একক বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে ঢাকার পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আমেরিকার অকুণ্ঠ সমর্থন ও অঙ্গীকারের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
সম্প্রতি রমজান বার্তায় জো বাইডেন রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের কথা বলেছেন। এই প্রথম আমেরিকার শীর্ষ রাজনৈতিক স্তর থেকে মায়ানমারের ছিন্নমূল মানুষের সঙ্কট উল্লেখিত হয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা আন্তর্জাতিক স্তরে বহু প্রশংসিত। সেদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এর প্রভাব সর্বজনবিদিত। শেখ হাসিনার উন্নয়নমুখী প্রকল্পের বাস্তবতা দেশকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু অন্তরায় নেই, তা নয়। বাক স্বাধীনতার প্রশ্নে বিএনপি ও জামাতের যুক্তিহীনতা অপ্রাসঙ্গিক। সম্প্রতি ঢাকায় সাংবাদিক শামসুজ্জামানের গ্রেফতারের ঘটনাকে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার নিন্দা করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘শিশু নির্যাতন ও শিশু শোষণ’-আইনের আওতায় শামসুজ্জামানকে আটক করা হয়। সম্প্রতি ঢাকায় সাংবাদিক শামসুজ্জামানের গ্রেফতারের ঘটনাকে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার নিন্দা করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘শিশু নির্যাতন ও শিশু শোষণ’-আইনের আওতায় শামসুজ্জামানকে আটক করা হয়।বাংলাদেশ সরকার, নাগরিক ও সংবাদ মাধ্যমের বাক স্বাধীনতা অটুট রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের শিশু অধিকার রক্ষা কনভেনশনের (সিআরসি) অন্যতম অংশীদার হিসেবে শিশু পীড়ন ও শিশু অপব্যবহারকে কখনো বরদাস্ত করা যায় না।
❤ Support Us





