Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ২২, ২০২৩

বেআইনি বাজির কারবার রুখতে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে রাজ্যে বিশেষ কমিটি গঠন। তৈরী হবে বাজি তৈরির ক্লাস্টার

মন্ত্রিসভার বৈঠকের শেষে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাহ হাকিম জানিয়েছেন, মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীর নেতৃত্বে এই বিশেষ কমিটি গঠন হবে। মুখ্যসচিব ছাড়াও কমিটিতে থাকবেন অর্থ, দমকল, পরিবেশ, নগরোন্নয়ন ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বেআইনি বাজির কারবার রুখতে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে রাজ্যে বিশেষ কমিটি গঠন। তৈরী হবে বাজি তৈরির ক্লাস্টার

রাজ্যে বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা রুখতে সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশেষ কমিটি গোড়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।  রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের শেষে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাহ হাকিম জানিয়েছেন, মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীর নেতৃত্বে এই বিশেষ কমিটি গঠন হবে। মুখ্যসচিব ছাড়াও কমিটিতে থাকবেন অর্থ, দমকল, পরিবেশ, নগরোন্নয়ন ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব। রাজ্যের কোন কোন জেলায় বাজি কারখানা রয়েছে, এর মধ্যে কোনগুলি আইনি ও কতগুলি অবৈধ কারখানা তা খতিয়ে দেখা হবে। কোন কারখানায় কত জন কাজ করেন তার খতিয়ানও তৈরি করবে এই কমিটি। দু’মাস পর মন্ত্রিসভার কাছে রিপোর্ট জমা করবে কমিটি। তা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে এগরার বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর থেকেই রাজ্যের সমস্ত জেলায় বেআইনি বাজি কারখানা ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। তা নিয়ে বাজি ব্যবসায়ীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ এখন চরমে। আবার বাজি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে বহু মানুষ কাজ হারাবে, এই সমস্যাও রয়েছে । এই সব বিষয় চিন্তা করেই বাজি কারখানার ক্লাস্টার তৈরির পরিকল্পনা করেছে নবান্ন। এর জন্য প্রয়োজনে জমি দেখার ভার দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন এই কমিটিকে। সেখানে গ্রিন বাজির কারখানা তৈরির ব্য়বস্থা করা হবে। থাকবে উপযুক্ত পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

রাজ্যে ধারাবাহিক বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে অবশেষে বেআইনি বাজি কারখানা রুখতে রাজ্য সরকার কমিটি গঠন করল। ধারাবাহিক ভাবে মহেশতলা, এগরা, বজবজ, দুবরাজপুর এই নামগুলি বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের তালিকায় এসেছে গত কয়েকদিনে। একের পর এক ভয়াবহ এবং  প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। এই ঘটনায় বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে রাজ্য সরকারে উপর চাপ বাড়িয়েছে বিরোধীরা এবং যে সব অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেই অঞ্চলের মানুষেরা। পুলিশ ও প্রশাসনের উপর এই সব বিস্ফোরণ হওয়া অঞ্চলের মানুষরা ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের বাজি শিল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি এগরার বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১২ জন, বজবজে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন বীরভূমের দুবরাজপুরে এক তৃণমূল নেতার নির্মীয়মান বাড়িতেও বিস্ফোরণ হয়েছে। পদুমা পঞ্চায়েতের ঘোড়া পাড়া গ্রামের তৃণমূল নেতা সেখ সফিকের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ফলে বাড়ির সিঁড়ি ঘর উড়ে যায়। বিস্ফোরণের ফলে কেঁপে ওঠে এলাকা। জানা গিয়েছে, বাড়ির সিঁড়ি ঘরে শতাধিক বোমা রাখাছিল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!