- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ২৮, ২০২৫
স্টুডেন্ড ক্রেডিট কার্ডে লক্ষপূরণ, রাজ্যের প্রকল্পের সাফল্যে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর
স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের সাফল্য উল্লেখ করে শুক্রবার ফেসবুক-এ একটু পোস্ট করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই পোস্টে রীতিমতো এই প্রকল্পের সাফল্য জানাতে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আজ অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পে অনুমোদিত আবেদনের সংখ্যা আজ ১,০০,০০০-এর ঐতিহাসিক মাইলফলক অতিক্রম করেছে। আমাদের সরকারের এই অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পের আওতায় ছাত্রছাত্রীরা খুবই সামান্য সুদের হারে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ পেয়ে থাকে। এই ঋণের সুদ ভর্তুকি সম্পূর্ণরূপে বহন করে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্প আগামীতেও আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করে যাবে। সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা!”
পশ্চিমবঙ্গে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আদতে উচ্চশিক্ষায় বিপ্লব ঘটানোর একটি উদ্যোগ, যা মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যে চালু হয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২১ সালে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সকল ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প (Student Credit Card Scheme)। আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে যাতে কোনও শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন—এই মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করে। চালু হওয়ার পর থেকে প্রকল্পটি রাজ্যের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ এনে দিয়েছে এবং আজ এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম সফল সামাজিক প্রকল্প হিসেবে পরিচিত।
স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের লক্ষ্য
উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার কমিয়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা, আর্থিক সমস্যার কারণে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়া ঠেকানো, রাজ্যের শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা লাভে উৎসাহিত করা, নূতন প্রজন্মকে পেশাগত, প্রযুক্তিগত ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় এগিয়ে যেতে সহায়তা করা,
স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা
সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ । শিক্ষার্থীরা খুবই কম সুদের হারে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ নিতে পারেন।
এই ঋণ ব্যয় করা যায়— কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, বিদেশে পড়ার খরচ, ইনটার্নশিপ বা গবেষণার খরচ ।
এই ঋণের সুদের হার খুবই কম, যা সাধারণ শিক্ষালোনের তুলনায় অনেক সুবিধাজনক। সুদ ভর্তুকির সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাজ্য সরকারের, ফলে শিক্ষার্থীর চাপ কমে। ঋণের পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়। পরিশোধ শুরু করতে হয় কোর্স শেষ হওয়ার পর।
সাধারণ শিক্ষালোনের ক্ষেত্রে যেখানে জামিনদার লাগে, সেখানে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত জামিনদারের প্রয়োজন হয় না। শুধু অভিভাবক থাকলেই আবেদন করা যায়। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী যেকোনো শিক্ষার্থী, যারা এই রাজ্যের বাসিন্দা, প্রকল্পের আওতায় ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।
❤ Support Us






