- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাসবিহারী বসুর কাছারি বাড়ির সংস্কার শুরু পূর্ব বর্ধমানে
ক্ষয়ে যেতে বসেছিল ইতিহাস। স্থাপত্যকলার অনিন্দ্য নিদর্শ। স্বাধীনতা যোদ্ধা দানবীর স্যর রাসবিহারী ঘোষের সেই কাছারিবাড়িটির সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হল। খুশি রাসবিহারীর গ্রাম তোরকোণার জনগণেশ। খুশি জেলার ইতিহাস পড়ুয়া ও গবেষককুল। স্যর রাসবিহারী ঘোষ স্মৃতিরক্ষা কমিটির সহযোগিতায় রাজ্য হেরিটেজ কমিশন সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজটি করবে। প্রথম ধাপ হিসেবে শুরু হল সমীক্ষা-কর্ম।
পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র অঞ্চলের তোরকোণা গ্রামে রয়েছে রাসবিহারীর কাছারি বাড়ি। চুন-সুড়কিতে গাঁথা, কড়ি-বরগার ছাদের সাবেক দোতলা কাছারি বাড়ির পরতে পরতে বাহারি স্থাপত্যের কারুকর্মই এই ভবনের অনন্যতা। ইটের ফাঁকে ফাঁকে উঁকি মেলে ইতিহাস। ভাঙা খিলানে আটকে স্বাধীনতা আন্দোলনের কড়চা। দেওয়ালের ধুলোয় ক্রমশ ঝাপসা কত স্মৃতি। টানা অবহেলা আর উপেক্ষায় সেসব মুছে যেতে বসেছিল। সেই গরিমাময় ইতিহাস-সৌধ এবার সংস্কার ও সংরক্ষণে পুনর্জন্ম ঘটার অপেক্ষায়। এলাকার বাসিন্দা তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধ্যক্ষ অনাবিল ইসলাম, তোরকোণার ইতিহাস-প্রিয় বাসিন্দা মলয় ঘোষালরা খুশি ‘রাজ্য সরকারের বাংলার একটা গুরুত্বপূর্ণ সৌধকে স্বমহিমায় ফেরানোর’ উদ্যোগে।
তাঁদের কথায়, ‘চোখের সামনে এই ইতিহাসস্পর্শী সৌধটিকে ধ্বংস হয়ে যেতে দেখে আত্নগ্লানি হত।’ নবরূপে সংস্কৃত ও সংরক্ষিত হয়ে সেই ইতিহাসকে ফিরে পাওয়ার আহ্লাদ দোল খাচ্ছে তোরকোণা ও লাগোয়া এলাকার আশমানজুড়ে। রাজ্য হেরিটেজ কমিশন ও পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ক্যামেরা, মাপক যন্ত্র, নথিপত্র নিয়ে শুরু হল সমীক্ষা। সমীক্ষার সরণি ধরেই ধীরে ধীরে জেগে উঠবে বাংলার সোনাঝরা ইতিহাসের আখর, বাঙালির আত্নপরিচয়ের বৈভব।
❤ Support Us






