Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ৩, ২০২৬

ভোটের আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ফের অনিশ্চয়তা। নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে স্থগিত ইন্টারভিউ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভোটের আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ফের অনিশ্চয়তা। নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে স্থগিত ইন্টারভিউ

বিধানসভা নির্বাচনের আবহে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ফের জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চলমান ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পর্ষদের দাবি, ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যেই পাঁচ দফার ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়েছে এবং ষষ্ঠ দফার ইন্টারভিউ ৬ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি মাঝপথে থামাতে তারা অনিচ্ছুক ছিল। ইন্টারভিউ যাতে স্থগিত না হয়, সেই মর্মে পর্ষদ সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেয় এবং সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ইন্টারভিউ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে, যতক্ষণ না এই বিতর্কের মীমাংসা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোট ১৩,৪২১টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে পর্ষদের।  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষাক্ষেত্রকে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বাংলার শিক্ষায়তন’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের কয়েক হাজার স্কুল আধুনিকীকরণ ও আপগ্রেড করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলগুলিতে ই-লার্নিংসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা চালু করা হবে এবং সেই সঙ্গে নতুন শিক্ষক নিয়োগও করা হবে।

ইস্তেহার প্রকাশের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শিক্ষার উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে এবং তা ইতিমধ্যেই বাজেট ও মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিরোধীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আদালতে মামলা করে প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভোটের আবহে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন অনিশ্চয়তার মুখে, যা বহু প্রার্থী ও শিক্ষাক্ষেত্রের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!