- দে । শ বৈষয়িক
- মার্চ ১৬, ২০২৬
পাইকারি বাজারে লাগাতার বাড়ছে দাম ! ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ২.১৩ শতাংশ
ভারতের পাইকারি বাজারে মূল্যস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে ৪ মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে পাইকারি মূল্যসূচকভিত্তিক মূল্যস্ফীতি ২.১৩ দুই শতাংশে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারির ১.৮ শতাংশের তুলনায় কিছুটা বেশি। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এটি ছিল ২.৪৫ শতাংশ।
শিল্প মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো উৎপাদিত পণ্য, মৌলিক ধাতুর উৎপাদন, অখাদ্যপণ্য, খাদ্যপণ্য এবং বস্ত্রপণ্যের মূল্যের বৃদ্ধি। এ বৃদ্ধি মূলত বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে।
খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারিতে ২.১৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারির ১.৫৫ শতাংশের তুলনায় অনেকটা বেশি। তবে সবজির দামের উত্থান সাময়িকভাবে কমেছে। জানুয়ারিতে যেখানে সবজির মূল্যস্ফীতি ৬.৭৮ শতাংশ ছিল, ফেব্রুয়ারিতে কমে ৪.৭৩ শতাংশে নেমেছে। অন্যদিকে ডাল, আলু, ডিম, মাংস এবং মাছের দাম আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে।
উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রেও দাম সামান্য বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই খাতে পাইকারি মূল্যসূচকভিত্তিক মূল্যস্ফীতি ২.৯২ শতাংশে পৌঁছেছে। জানুয়ারিতে ছিল ২.৮৬ শতাংশ। অখাদ্য পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। জানুয়ারির ৭.৫৮ শতাংশের তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে অখাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৮.৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেও ঋণাত্মক মূল্যস্ফীতি অব্যাহত রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই খাত পৌঁছেছে ৩.৭৮ শতাংশে, জানুয়ারির ৪.০১ শতাংশের তুলনায় সামান্য কম।
একই সময়ে দেশের খুচরো বাজারেও দাম বেড়েছে। জানুয়ারিতে যা ছিল ২.৭৫ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে তা ৩.২ শতাংশ। খুচরা মূল্যস্ফীতিই মূলত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতি সুদ নির্ধারণে নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নীতি সুদের হার ১.২৫ শতাংশ পয়েন্ট কমিয়েছে, যেহেতু মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিকভাবে কম ছিল।অর্থনীতিবিদদের মতে, সামগ্রিকভাবে পাইকারি মূল্যস্ফীতি এখনো নিয়ন্ত্রিত সীমার মধ্যে রয়েছে। তবে খাদ্যপণ্য ও অখাদ্য পণ্যের দামের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। পাইকারি মূল্যস্ফীতি এবং খুচরা মূল্যস্ফীতির মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা এবং বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
❤ Support Us





