Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ৩০, ২০২৬

আচমকা রেজিস্ট্রেশন বন্ধ উচ্চমাধ্যমিকের, কালনায় অনিশ্চিত ১২০ ছাত্রীর ভবিষ্যৎ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আচমকা রেজিস্ট্রেশন বন্ধ উচ্চমাধ্যমিকের, কালনায় অনিশ্চিত ১২০ ছাত্রীর ভবিষ্যৎ

আচমকা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন বাতিলে বিড়ম্বনা কালনার ঐতিহ্যবাহী বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপীঠ স্কুলে। ৫০ বছর ধরে এই স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়েই পড়াশোনা করত। কিন্তু এবারে একাদশ শ্রেণীতে ভরতি হওয়া ছাত্রীরা রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে দেখে অনলাইনে তাদের রেজিস্ট্রেশন কোনোভাবেই হচ্ছে না। খোঁজখবর নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন, এই স্কুলে মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে শিক্ষা দপ্তর এই স্কুলকে অনুমতি দেয়নি। কেবলমাত্র ছেলেদের জন্যই রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে। কিন্তু টানা ৫০ বছর ধরে চালু কো-এডুকেশন ব্যবস্থা কেন বাতিল হল, তার সদুত্তর দিতে পারেননি স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলের ১০০ জন ছাত্রর রেজিস্ট্রেশন হলেও ১২০ জন ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিষয়টি জানাতে সোমবার একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীদের অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক করলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

অভিভাবকদের প্রশ্ন, মেয়েরা স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর মাঝপথে তাদের রেজিস্ট্রেশন করানো না হলে তারা কীভাবে আগামী দিনে শিক্ষাবর্ষের পড়াশোনা চালাবে ? আর ছাত্রীদের বক্তব্য, এলাকার ১০-১২ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ভালো স্কুল নেই। বিদ্যালয়শিক্ষা মন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ এই স্কুলেই রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করে আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করা হোক। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত

প্রধানশিক্ষক সুপ্রিয় মুখার্জি বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশন করার সময় দেখতে পাই আমাদের স্কুলটিকে শুধুমাত্র বয়েজ স্কুল করে দেয়া হয়েছে। ১৯৭৬ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত দীর্ঘ ৫০ বছর ধরেই স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক সেকশানে ছাত্র-ছাত্রী একসঙ্গে পড়াশোনা করে আসছে। তাহলে এবার হঠাৎ করে কেন ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন আটকে দেওয়া হচ্ছে?’ বিষয়টি নজরে আসা মাত্র কাউন্সিল, জেলা পরিদর্শকের অফিস-সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সব স্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুপ্রিয়বাবু। তাঁর আশা নতুন সরকার এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করবেন। ভরতি হওয়া সকল ছাত্রীই এই স্কুলেই পড়াশোনা করবে। এই স্কুল থেকেই পরীক্ষা দেবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!