- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১, ২০২৬
দেশের নিরাপত্তায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি, ‘লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার’ পেলেন অজিত ডোভাল
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার পুণেতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের হাতে মর্যাদাপূর্ণ ‘লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার’ তুলে দেন। দেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডোভালকে এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে। লোকমান্য তিলক স্মারক ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য অজিত ডোভালকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করেছেন। মিজোরাম, সিকিম, পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মতো সংবেদনশীল এলাকায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
অজিত ডোভাল ভারতীয় কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইসলামাবাদ ও লন্ডনে ভারতীয় মিশনে কূটনৈতিক পদে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। ভারত-চিন সীমান্ত আলোচনায় তিনি ভারতের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ডোকলাম অচলাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়।
১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার’ প্রথম প্রদান করা হয় সমাজবাদী নেতা এস এম জোশিকে। প্রতি বছর ১ আগস্ট, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মহান নেতা বাল গঙ্গাধর তিলকের মৃত্যুবার্ষিকীতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী, মনমোহন সিং এবং ইন্দিরা গান্ধী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ শরদ পাওয়ার।
এদিকে, পুণে সফরের সময় অমিত শাহ মহারাষ্ট্রের কিংবদন্তি কবি ও সমাজ সংস্কারক লোকশাহির অন্নাভাউ সাঠের জন্মবার্ষিকীতেও শ্রদ্ধা জানান। পুণের সারসবাগ এলাকায় অন্নাভাউ সাঠের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং সুনেত্রা পাওয়ারসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অন্নাভাউ সাঠের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ১৯২০ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণকারী অন্নাভাউ সাঠে ছিলেন মহারাষ্ট্রের এক বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক, লোককবি এবং দলিত সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর সাহিত্য ও সামাজিক আন্দোলনের অবদান মহারাষ্ট্রের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
❤ Support Us






