- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ২১, ২০২৫
পদ্ম শিবিরের জেলা কার্যালয়ের পাশেই সিএএ শিবির, টাকার বিনিময়ে মিলছে নাগরিকত্ব। নিন্দা ঘাসফুল শিবিরের
বিজেপির জেলা কার্যালয়ের পাশেই বিজেপির এক নেতার উদ্যোগে চলছে সিএএ আবেদন ! বিজেপির জেলা কার্যালয়ের পাশেই বিজেপির এক নেতার উদ্যোগে চলছে সিএএ আবেদন প্রক্রিয়া ! রীতিমত ব্যানার, পোস্টার মেরে অফিস খুলে সিএএ আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় বসিরহাট শহরে জল্পনা শুরু হয়েছে। বসিরহাট টাউন হলের পাশে মিলনী সিনেমার হলের গলিতে বিজেপির বসিরহাট সাংগাঠনিক জেলা কার্যালয়। তার পাশে একটি ঘরে বিজেপি নেতা দুলাল রায় রীতিমত কম্পিউটার, ক্যামেরা নিয়ে নিয়ে অফিস চালাচ্ছেন। রাস্তা জুড়ে একাধিক ফ্লেক্স ব্যানারে লেখা, ‘এখানে সিএএ তে আবেদন চলছে’। সেখানে অনলাইনে আবেদন করা হচ্ছে। আবেদনকারীর কাছ থেকে আড়াইশ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এই কেন্দ্র চালাচ্ছেন দুলাল রায় একজন বিজেপির সক্রীয় কর্মী। দুলালবাবু বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য সিএএ ক্যাম্প খুলতে বলেছে তাই পার্টির কার্যকর্তা হিসেবে ক্যাম্প খুলেছি। যারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময় এসেছেন সেই সব হিন্দুদের সিএএ আবেদন নেওয়া হচ্ছে। দুলালবাবু বলেন, ‘আবেদন কারিদের কাছ থেকে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ৫০ টাকা ভারত সরকারকে দিতে হচ্ছে। বাকি টাকাটা আমাদের ঘরভাড়া, লোকজনের খরচের জন্য নিচ্ছি।’ দুলালবাবু বলেন, ‘সবটাই অনলাইনে পোর্টালে করা হচ্ছে। আমাদের দলের নির্দেশ আছে মুসলিম বাদে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান শরনার্থীদের আবেদন করাতে। বিজেপির জেলা সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য বলেন, ‘কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্বের আবেদনের জন্য পোর্টার খুলে দিয়েছে বলেই সিএএ আবেদন কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দলের নির্দেশেই হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র সরকারের ঘোষিত নীতি হচ্ছে নাগরিকত্বের আবেদন করতে হবে। এবার কে কোথায় গিয়ে আবেদন করবেন সেটা তাঁর ব্যাক্তিগত ব্যপার।’ যদিও বসিরহাট মহকুমা প্রশাসন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে।
সরকারি ভাবে পশ্চিমবঙ্গে সিএএ আবেদন নিয়ে কোন নির্দেশ নেই মহকুমা প্রশাসনের কাছে। বিজেপির উদ্যোগে সিএএ–র আবেদন নিয়ে তীব্র বিরোধীতা করেছেন বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন। তিনি বলেন, বিজেপি বাংলার মানুষকে বিপর্যস্ত করতে চাইছে। বিজেপি নেতা কর্মীরা এব্যাপারে কোথা থেকে অনুমতি পেল জানি না। তিনি বলেন, বাংলার মানুষের স্বার্থে আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি একা লড়াই করছে। বাংলার মানুষের আশা ভরসা তিনি।’ বিজেপি ক্ষমতায় থেকে বাংলা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে এসআইআর চাপিয়ে দিয়েছে। দলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির নেতৃত্ব তৃণমূলের সর্বস্তের নেতা কর্মীরা এসআইআর নিয়ে প্রতিটি পাড়ায় বাংলার মানুষকে সহায়তা দানের জন্য শিবির করে বসে আছে। বিজেপি সেখানে নাগরিকত্ব দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করছে । এটা ওই দলের পক্ষেই সম্ভব। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছে।’
❤ Support Us







