- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ২৯, ২০২৬
দিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় দফতর থেকে ঐশী ঘোষকে গ্রেফতারের চেষ্টা! ‘স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়া’ মন্তব্য জে.পি. নাড্ডার
সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের প্রবেশ এবং ছাত্রনেত্রীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার ঘটনাকে ‘স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ বলে অভিহিত করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলগুলি এ ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, অযথা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করছে।’
বুধবার রাজ্যসভায় সিপিআই(এম)-এর সাংসদ জন ব্রিটাস জানান, মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশ একটি পুরনো মামলার সূত্র ধরে সিপিআই(এম)-এর ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)-এর দিল্লি রাজ্য সম্পাদক এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)-এর প্রাক্তন ছাত্র সংসদ সভাপতি ঐশী ঘোষকে গ্রেপ্তার করার উদ্দেশ্যে সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় একে. জি. ভবনে যায়। সে সময় পুলিশ ও সিপিআই(এম) নেতাদের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ঐশী ঘোষকে গ্রেপ্তার করতে না পেরে ভবন ছেড়ে চলে যায়।
বুধবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জে.পি. নাড্ডা বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলার একটি পরিস্থিতি। শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনো ছাত্র যদি আন্দোলন বা ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকে, তবে তাকে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।’ বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে নাড্ডা জরুরি অবস্থার (ইমার্জেন্সি) সময়ের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আমিও ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কংগ্রেস সরকারের জরুরি অবস্থার সময় আমাকে একাধিকবার শ্রেণিকক্ষ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।’ তাঁর দাবি, পুলিশ সম্পূর্ণ আইন মেনেই কাজ করেছে। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানো উচিত নয়।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় সিপিআই(এম)-এর নেতাদের দাবি, ঐশী ঘোষ সম্প্রতি যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত একটি ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণেই পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। দলের অভিযোগ, একটি পুরনো মামলাকে সামনে এনে সাম্প্রতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের জেরে একজন ছাত্রনেত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।
❤ Support Us







