- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ২৯, ২০২৬
বীরভূমে অপরাধ দমনে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান, বিপুল বিস্ফোরক ও কয়েক কোটি টাকা উদ্ধার
বীরভূমে একের পর এক বড় অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল জেলা পুলিশ। প্রথমে নলহাটির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তার পরদিনই মহম্মদবাজারের দেউচা এলাকায় এক পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় কোটি কোটি টাকা। পরপর দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মঙ্গলবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নলহাটি থানার পুলিশ এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৮০০ কেজিরও বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, ১,২০০-র বেশি জিলেটিন স্টিক, ১০৫টি ডিটোনেটর এবং ৩৬টি ডিটোনেটিং ফিউজ কয়েল। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন ধরেই ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে বেশ কয়েক জনের সন্দেহজনক যাতায়াত লক্ষ্য করা হচ্ছিল। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে বড়ো বড়ো বাক্স আনা-নেওয়া হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সম্প্রতি বাড়িটি ভাড়া নিয়ে সেখানে বিস্ফোরক মজুত করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে নলহাটি থানার পুলিশ। কারা এই বিস্ফোরক মজুত করেছিল, কী উদ্দেশ্যে এগুলি সেখানে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও বড় অপরাধচক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, বুধবার মহম্মদবাজারের দেউচা এলাকায় এক পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় কোটি কোটি টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গণনার জন্য পাঁচটি মানি কাউন্টিং মেশিন ব্যবহার করা হয়। এত বিপুল টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ একাধিক ট্রাঙ্কও নিয়ে এসেছিল। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
❤ Support Us







