Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • জুলাই ৫, ২০২৩

‘পাওয়ার’ বদলের ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবি অজিতের। চাপে কি একনাথ শিণ্ডে?

‘পাওয়ার’ বদলের ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবি অজিতের। চাপে কি একনাথ শিণ্ডে?

এনসিপিতে নাটকের পর নাটক! দলীয় প্রধান থাকা অবস্থাতেই কাকা শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করলেন ভাইপো অজিত । নির্বাচন কমিশনকে জানালেন, তিনিই হলেন এনসিপির প্রকৃত সভাপতি। শুধু তাই নয়, সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে ঘোষণা করলেন, তিনিই হবেন আগামী দিনে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের উন্নতির জন্য  তাঁর  বেশ কিছু  পরিকল্পনা রয়েছে , প্রশাসনিক প্রধান হওয়ার পর  তা বাস্তবায়িত করতে চান।  যা শিণ্ডে শিবিরকেও চাপে রাখল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

কাকার সঙ্গে শক্তি প্রদর্শনের পরীক্ষায় নেমেছিলেন ভাইপো অজিত। আর তাতেই কেল্লা ফতে করে দিয়েছেন বলে দাবি করছেন অজিত অনুগামীরা। বুধবার দু পক্ষই ডেকেছিলেন দলীয় বৈঠক। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর ডাকা মিটিং -ইয়ে যোগ দেন ১১ জন বিধায়ক। আর অজিত পাওয়ারের সঙ্গে অন্তত ৩৬ জন দেখা করেন  বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, বিধানসভায় এনসিপি বিধায়কের সংখ্যা ৫৩ । সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য দরকার ছিল দলের ৪০ জন নির্বাচিত আইনসভার সদস্যের সমর্থন। তবে তা পাবার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অজিত এনসি পির দলীয় প্রতীক ও নামের ওপর নিজের গোষ্ঠীর অধিকার দাবি করেন। অবশ্য পাওয়ার শিবির ও কম যান না । পালটা ক্যাভিয়েটও তাদের পক্ষ থেকে দাখিল করে রাখা হয়েছে।

অজিত পাওয়ার দলীয় মঞ্চ থেকে বলেন, “আশা করেছিলাম আপনি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও পরবর্তীকালে তিনি তা বদল করেন।”  নিজেকে  প্রেসিডেন্ট  ঘোষণা করে  অজিত পাওয়ার নিজের  কাকাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দিলেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।নির্বাচন কমিশনে এমন তথ্য   দেওয়া হয়েছে । যার অর্থ হল,সভাপতির পদ থেকে গদিচ্যুত হয়েছেন শরদ। যদিও তাঁর সমর্থকরা এমন দাবি মেনে নেননি, নেবেন এমন সম্ভাবনাও নেই।

বৈঠকের কিছুক্ষণ আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য প্রফুল প্যাটেল, সুনীল তাতকারে সহ মোট তিনজনকে বহিষ্কার করলেন শরদ পাওয়ার। একনাথ শিন্ডে মন্ত্রিসভায় ভাইপোর যোগদানের  কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতে কড়া পদক্ষেপ নিলেন এনসিপি প্রধান।দলীয় কর্মীর উদ্দেশে বলেছেন, নতুন আশা নিয়ে সবাইকে শুরু করতে হবে।  কাব্যিক ঢং-এ   তাঁর উক্তি, রাত্রির অমানিশাকে কাটিয়েই আবার ভোর আসে। দলে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার  রয়েছে। তবে তাঁর সাফ কথা, বিজেপির সঙ্গে ই কোনোভাবে থাকবেন না। যতজন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে থাকবেন তাদের নিয়েই রাজ্যের উন্নতির জন্য কাজ করবেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!