Advertisement
  • প্রচ্ছদ রচনা
  • ডিসেম্বর ৮, ২০২২

হাতের মুঠোয় আবার পার্বত্যের হিমাচল

কংগ্রেসের অবিশ্বাস্য জয়, প্রত্যাশিত ক্ষয় রুখতে ব্যর্থ পদ্ম, ফ্যাক্টর প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার রীতিমাফিক ঝড়

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
হাতের মুঠোয় আবার পার্বত্যের হিমাচল

গুজরাটে প্রতিষ্ঠানমুখীনতার অসাধরণ জয়, আর হিমাচলের ধারাবাহিক রীতি মেনে তীব্র প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাই অক্সিজেন জোগাল কংগ্রেসকে। পাঁচ বছর পর ৪০ আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরল জাতীয় কংগ্রেস। ২০১৭ সালের ভোটে তখনকার জয়ী দল বিজেপির আসন ছিল  ৪৪, পরাজিত কংগ্রেসের ২১। এবার অনেকের অনুমান ছিল, বিজেপি ক্ষমতা বহাল রাখবে। ঘরোয়া কোন্দল, সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রচারে শৈথিল্যের জন্য কংগ্রেস হেরে যেতে পারে।

সব হিসেব নিকেশকে ভুল প্রমাণিত করে দিল মল্লিকার্জুন খাড়্গের নেতৃত্ব আর অপ্রত্যাশিত গৌরব নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। 

২১ আসন থেকে ৪০ এ উত্তরণ কংগ্রেসের অবশ্যই এক বড় সাফল্য। পরের বিভিন্ন প্রাদেশিক বিভিন্ন নির্বাচনে ত্রিপুরা, মেঘালয় আর রাজস্থানের সাফল্যের প্রভাব পড়বে। ত্রিপুরায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্ন আছে। রাজস্থানে ঘরোয়া লড়াই রুখতে পারলে অবশ্যই ফিরবে। মেঘালয়ের পরিস্থিতি আলাদা, ওখানে বিজেপিহীন তৃতীয় শক্তি জোটের আবির্ভাব অসম্ভব নয়।

তৃণমূল গারো-খাসি-জয়ন্তিয়া ভূমিতে প্রবেশ করেছে, নিজের অস্তিত্বকে বলবান করার চেষ্টায় তারা নিয়জিত। পাহাড়ি রাজ্যগুলোতে বিজেপি গ্রহণযোগ্য নয়। জনবিন্যাস তাদের অনুকুলে নয়। এর নিকটতম দৃষ্টান্ত হিমাচল। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অঙ্ক জটিল। বহুরকমের জনগোষ্ঠীর ধর্ম আর খাদ্যাভ্যাসে গেরুয়া শিবিরের অহেতুক হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ খাসি , নাগা, লুসাই, জয়ন্তীয়া, কার্বি ও মণিপুরিদের বড় অংশ। যে সব রাজ্যে তাঁদের বসবাস, সেখানে রীতি বিরুদ্ধ আঁতাত গড়ে বিজেপি ক্ষমতার অংশীদার। হিমাচল প্রদেশে ভিত তাদের দুর্বল নয়। কিন্ত বহুমুখী জনবিন্যাসের রীতি আর রুচিকে জয় করতে পারেনি। দ্বিতীয়ত, প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা বেছে নিল বিজেপির কংগ্রেসকে। হিমাচল জাতীয় কংগ্রেসের পুরনো জমি। বহুগুনা, এন ডি তিওয়ারি, বীরভদ্র সিং সহ বহু দক্ষ রাজনীতিকের জন্ম দিয়েছে হিমাচল


❤ Support Us
error: Content is protected !!