- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ২৭, ২০২৪
অসমের ‘মইডামস’ পেল বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি
এবার অসমের মুকুটে নতুন একটি পালক যুক্ত হল।রাজ্যের চরাইদেও অঞ্চলের অনন্য ঢিবি-কবর পদ্ধতি ‘মইডামস’-কে ২৬শে জুলাই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
৬০০বছর ধরে অসম রাজ্যপাট চালায় তাই-আহোম রাজবংশ। চরাইদেও ছিল তাদের রাজধানী।তারা ছোটো ছোটো টিলার আকারে কাঠামো তৈরি করে, মৃত্যুর পর নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সেখানেই সমাহিত করতো তারা।
ইউনেস্কোর স্বীকৃতির খবরে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘ভারতের জন্য অত্যন্ত আনন্দ এবং গর্বের বিষয়। মইডাম আহোম সংস্কৃতিকে প্রদর্শন করে, তাঁরা তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। আমি আশা করি আরো মানুষ মহান আহোম শাসন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে শিখবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে মইডামরা বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।’
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আহোম রাজবংশের শতাব্দী প্রাচীন ঢিবি-কবর ব্যবস্থা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘এটা অসমের জন্য দারুণ খবর, কারণ চরাইদেও ময়ডাম এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট ।এই অন্তর্ভুক্তি শুধু আসামের জন্য নয় দেশের জন্য একটি বড় সম্মান। এপ্রসঙ্গে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘ চরাইদেওর মইডামরা আসামের তাই-আহোম সম্প্রদায়ের গভীর আধ্যাত্মিক বিশ্বাস, সমৃদ্ধ সভ্যতাগত ঐতিহ্য এবং স্থাপত্য দক্ষতাকে মূর্ত করে।প্রথমবারের মতো উত্তর-পূর্ব থেকে একটি সাইট ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক বিভাগের অধীনে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে এবং কাজিরাঙ্গা এবং মানস জাতীয় উদ্যানের পরে, এটি আসামের তৃতীয় বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। আমি আপনাদের সকলকে আসতে অনুরোধ করছি এবং অসাধারণ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় এর আগে দেশের ৩২টি স্থান নথিভূক্ত হয়েছিল।সেই সারণীতে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি এই প্রথম । যদিও প্রাকৃতিক বিভাগের অধীনে অসমের মানস এবং কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান আগেই বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছিল ।
❤ Support Us







