- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- মার্চ ২৭, ২০২৩
সামনের বছর থেকে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের আইপিএল খেলা বন্ধ হতে পারে
প্রতিবছর আইপিএলে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের পুরো মরশুমে পাওয়া নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। আইপিএল চলার সময়ই এই দুই দেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচ থাকে। এবছরও তার ব্যতিক্রম নেই। দুই দেশের বোর্ড কর্তারা আইপিএলের সূচি জেনেও জাতীয় দলের ম্যাচ রাখে। তাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইপিএলে এই দুই দেশের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
এবছর ৩১ মার্চ শুরু হতে চলেছে আইপিএল। কিন্তু প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিমদের পাওয়া যাবে না। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। ৮ এপ্রিল সিরিজ শেষ হবে। ৯ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত সাকিব, লিটন এবং মুশফিকুররা আইপিএলে খেলতে পারবেন। তারপর আবার জাতীয় দলের ম্যাচ রয়েছে। ১৫ মে’র পর থেকে আবার সাকিবদের পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন যে, জাতীয় দলের থাকাকালীন ক্রিকেটাররা আইপিএল খেলতে পারবেন না।
অন্যদিকে, এবছর শ্রীলঙ্কার চার ক্রিকেটার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাতিসা পাথিরানা, ভানুকা রাজাপক্ষে, মহেশ থিকসানাও আইপিএলের প্রথম সপ্তাহে খেলতে পারবেন না। কারণ শ্রীলঙ্কার এই চার ক্রিকেটার জাতীয় দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড সফরে ব্যস্ত রয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের। তারা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে এই ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের আংশিকভাবে আইপিএলে অংশগ্রহণের জন্য যথেষ্ট বিরক্ত। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি কোনও অভিযোগ করতে পারছে না।
এক ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তা বলেছেন, ‘আমরা এই ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে পারি না। কারণ আইপিএলে অন্য দেশের ক্রিকেটার খেলানোর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সংশ্লিষ্ট দেশের বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তবে সামনের বছর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি কয়েকটা দেশের ক্রিকেটার নেওয়ার ব্যাপারে সন্দিহান হবে। তাসকিন আহমেদ এখনও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পায়নি। যদি সেই দেশের বোর্ড তাদের খেলোয়াড়দের খেলতে দিতে না চায় তাহলে নাম নথিভুক্ত করা উচিত নয়। আমার মনে হয় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে ধারণা বদলাবে।’
❤ Support Us







