Advertisement
  • Uncategorized এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ২৬, ২০২৩

বঙ্গ বিজেপিতে ভাঙ্গন । অভিষেকের হাত ধরে তূণমূলে পদ্ম বিধায়ক

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বঙ্গ বিজেপিতে ভাঙ্গন । অভিষেকের হাত ধরে তূণমূলে পদ্ম বিধায়ক

বিজেপি শিবিরে আবার ভাঙন। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক হরকালী প্রতিহার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন এই বিজেপি বিধায়ক।

পুজোর আগে থেকেই আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক যে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। যদিও হরকালী সেই জল্পনায় জল ঢেলে জানিয়ে ছিলেন, তিনি বিজেপিতেই থাকছেন। এমনকি তিনি অভিযোগ করে বলেছিলেন, অনেকে ইচ্ছে করে তাঁর নাম মিথ্যা রটনা রটাচ্ছেন। তবে নিজের কথাকে নিজেই মিথ্যা প্রমাণ করে, সব জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলেই যোগ দিলেই কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক।

সম্প্রতি বাঁকুড়ায় বিজেপির মধ্যে প্রবল গোষ্ঠীকোন্দল শুরু হয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বিজেপির জেলা সদর দফতরে তালা বন্ধ করে রেখেছিল বিজেপি কর্মীরা। প্রায় ২ ঘণ্টা আটকে ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, তার পরেও মন্ত্রী সুভাষ এবং বিজেপির জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির একটি বড় অংশ। সুভাষ সরকার দলীয় সংগঠনে হস্তক্ষেপ করছেন এবং নিজের ঘনিষ্ঠদের সংগঠনের পদে বসাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বাঁকুড়ার বিজেপির নেতা এবং কর্মীদের একটা বড় অংশ।

এদিকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসতেই তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেকের সঙ্গে হরকালীর ছবি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, এই পদক্ষেপে জনগণের সেবা করা এবং মা-মাটি-মানুষের অটল আদর্শ আরও শক্তিশালী হল। বিজেপি বিধায়ককে ‘তৃণমূল পরিবারে’ আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানিয়েছে তৃণমূল শিবির। পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘আমরা এক সঙ্গে বাংলার উন্নতির জন্য অক্লান্ত ভাবে হাতে হাত রেখে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।’’

যদিও কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়কের এই দলবদলকে গুরুত্ব দিতে চাইছে না রাজ্য বিজেপি। ওই দলের রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এতে দলের কিছু যাবে আসবে না। রাজনীতিতে সবার কাছে সব কিছু স্থায়ী হয় না। আসা-যাওয়া থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে, প্রলোভন না কি, কোনও ভয় দেখানো, সেটা দেখতে হবে।’’ সৌমিত্র খাঁন বলেছেন, “আপদ বিদায় হয়েছে।”

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২০০-র বেশি আসনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু, শেষমেশ ৭৭টি আসনে সন্তুষ্ট হতে হয় তাদের। নিশীথ প্রামাণিক এবং জগন্নাথ সরকার শান্তিপুর এবং দিনহাটা থেকে জয়ী হলেও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদ পদে বহাল থাকেন। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫-এ। তার পর শুরু হয় দলবদল। মুকুল রায়, বিশ্বজিৎ দাসরা তৃণমূলে ফিরে আসেন। বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে শেষ দলত্যাগী ছিলেন সুমন কাঞ্জিলাল। তখন বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯-এ। এ বার হরকালী প্রত্যাহারের তৃণমূলে আসার ফলে  বাংলায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৬৮-এ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!