- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা স | হ | জ | পা | ঠ
- জুলাই ১৪, ২০২৩
নির্ধারিত সময়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দিল চন্দ্রযান-৩। সঙ্গী দেশবাসীর আশা-আকাঙ্খা
ফাইভ-ফোর-থ্রি-টু-ওয়ান কাউণ্টডাউন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেণ্টার থেকে হুশ করে ল্যাণ্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞানকে সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিল চন্দ্রযান -৩। এখনও পর্যন্ত সঠিক পথেই চলেছে। ৯০০ সেকেন্ড ওড়ার পর নির্দিষ্ট ইলেক্ট্রিক্যাল পার্কিং অরবিটে স্থাপিত হয়েছে মহাকশযানটি। প্রায় ৩লক্ষ ৪২ হাজার কিমি পথ অতিক্রম করে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে রকেটটি। এখনও পর্যন্ত জানা গেছে ২৩ আগষ্ট পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে ল্যাণ্ডারটির নামার কথা।
উৎক্ষেপণের আগে থেকেই উৎকণ্ঠায় ছিলেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।নির্দিষ্ট সমইয়ে যখন নির্ধারিত স্থান থেকে ভেহিকেল মার্ক-৩ রকেটটি যখন উৎক্ষিপ্ত হল সেসময় উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন তাঁরা। যদিও এখনো অনেকগুলো ধাপ পেরনো বাকি। যার মধ্যে প্রথম তিনটি সম্পূর্ণ হয়েছে। মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখনই এটি চাঁদে যাবে না না। প্রথমে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে চন্দ্রযান। এরপর ৫ বার থ্রাস্টার চালিয়ে, ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে ক্রমশ দূরে চলে যাবে এলএমভি-৩। একেবারে শেষ পর্যায়ে লুনার ট্রান্সফার অরবিট ম্যানুভারের মাধ্যমে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে। ৫ অগস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করার কথা। এরপর, ৫ বার ম্যানুভারের মাধ্যমে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের দূরত্বের কক্ষপথে পৌঁছাবে চন্দ্রযান-৩।
পরে প্রপালশন মডিউল থেকে ল্যান্ডার বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং করবো এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে ল্যান্ডারের ভিতর থেকে রোভার নেমে আসবে। ঘুরে বেড়াবে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে ও সংগ্রহ করবে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্যাদি৷ এতে নেভিগেশন ক্যামেরা এবং একটি সোলার প্যানেল থাকার কথা রয়েছে। আসলে রকেটটির মূল ভূমিকা হল পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলয়ের বাইরে চন্দ্রযানকে নিয়ে যাওয়া। সে কাজটাই করবে রকেটটি।
❤ Support Us







