- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ১২, ২০২৩
চিনের “বেল্ট অ্যান্ড রোড” সম্মেলনে অতিথি পুতিন, বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ ভারতের জন্য
সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে জিনপিং,২০১৯।ফাইল চিত্র
চিনের বিতর্কিত “বেল্ট অ্যান্ড রোড” প্রকল্পের ১০ বছর পূর্তি হচ্ছে। এই প্রকল্পের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বেজিংয়ে “বেল্ট অ্যান্ড রোড” সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই সুযোগেই পশ্চিমের দেশগুলোর বিরুদ্ধে জোট গড়ার ক্ষেত্রে একজোট হতে পারে চিন ও রাশিয়া, এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। পুতিনের চীনের আমন্ত্রণ পাওয়া ও সে দেশে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাবলি ভারতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
“বেল্ট অ্যান্ড রোড” প্রকল্প ও তাকে কেন্দ্র করে এই সম্মেলনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে জিনপিং প্রশাসন। এই প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং জানিয়েছেন, “বেজিংয়ে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ ও অংশীদারদের স্বাগত। উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার স্বার্থে এই উদ্যোগ।” আগামী সপ্তাহেই চিনের রাজধানীতে হবে এই সম্মেলন। যেখানে যোগ দেবেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এনিয়ে মস্কোর তরফে জানানো হয়েছে, পুতিনের সঙ্গে চিনে যাচ্ছেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও। বৈঠকে বসবেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে।
চিন মুখে যাই বলুক না কেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প আসলে ফাঁদ বলেই মনে করেন অধিকাংশ বিশ্লেষক। পরিকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণের ফাঁদ পেতেছে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চিন । ভারত বরাবর এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে এসেছে। কারণ, চিনা প্রকল্পের একটি অংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে।
এদিকে, ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে পুতিনের চিনে যাওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর আগে আমেরিকাকে চাপে ফেলতে উত্তর কোরিয়া ও চিনের সঙ্গে যৌথ নৌ-মহড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল রাশিয়া। কারণ যুদ্ধের ময়দানে মস্কোর উপর চাপ বাড়াচ্ছে হোয়াইট হাউস। অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কিয়েভকে সাহায্য করছে ওয়াশিংটন। এই প্রেক্ষিতে আমেরিকা বিরোধী দেশগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে চাইছেন পুতিন।
জানা যাচ্ছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই সফরে রাশিয়া-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সামরিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হতে, এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ময়দানে চিনকে রাশিয়ার পাশে না দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে আমেরিকা। ফলে পুতিন-জিনপিং সাক্ষাতের পর বাইডেন প্রশাসন কী বার্তা দেয় সে দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।
❤ Support Us







